📌 ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে আবার দুর্বৃত্তদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করছে। গত সেপ্টেম্বর ২৬ তারিখে এই প্রকল্পে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় ১১ জন গ্রেপ্তার হলেও ৯ জন আরো জড়িতদের শনাক্তকরণ চলছে
ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে আবার দুর্বৃত্তদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। আজ শনিবার বিকেল চারটার দিকে ঘটনাটি ঘটে এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফ জানান, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে একজনকে আটকে রাখার তথ্য জানানো হয়েছিল। প্রকল্পের মালিক মো. নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর প্রকল্পে আবার দুর্বৃত্তরা হামলা করেছে এবং পুলিশ এসেছে ঘটনাস্থলে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে আবার দুর্বৃত্তদের হামলার অভিযোগ উঠেছে, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে।
- 📌 গত ২৬ সেপ্টেম্বর এই প্রকল্পে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে, তখন সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওও ভাঙচুর ও লুটপাটের শিকার হয়।
- 📌 ১৩ জন দুর্বৃত্ত মিরপুরের দুটি সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্য নিয়ে হামলার পরিকল্পনা করেছিল।
- 📌 মো. ইব্রাহিম ওরফে ‘কিলার’ ইব্রাহিম ও তার বাহিনীর সদস্য যুবরাজ হামলার সমন্বয় করেন।
- 📌 ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, কিন্তু ৯ জন আরো জড়িতদের শনাক্তকরণ চলছে।
📰 বিস্তারিত
ক্যান্টনমেন্ট থানার ডিউটি অফিসার মো. আরিফ প্রথম আলোকে জানান, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে একজনকে আটকে রাখার তথ্য জানানো হয়েছিল। খবর পেয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনাস্থলে গেছেন। প্রকল্পের মালিক মো. নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর প্রকল্পে আবার দুর্বৃত্তরা হামলা করেছে এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ এসেছে।
গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতেও নিউগিনি প্রপার্টিজের আবাসন প্রকল্পে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। ওই সময় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতেও ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। এই ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সালমান মুক্তাদিরের প্রকাশ করা ভিডিও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, মিরপুরের দুটি সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে হামলার সমন্বয় করেন ভাষানটেক থানা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ইব্রাহিম ওরফে ‘কিলার’ ইব্রাহিমের বাহিনীর সদস্য যুবরাজ। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ২৬ সেপ্টেম্বরের হামলার দিন ইসিবি চত্বরের একটি খাবারের দোকানে বসে ১৩ জন হামলার পরিকল্পনা করেন। এ সময় মামলার এক নম্বর আসামি শাহরিয়ার মাহমুদ মো. ইব্রাহিমের সঙ্গে যোগাযোগ করে হামলার জন্য এক কোটি টাকার চুক্তি করেন। পরে ইব্রাহিম লোকজন সংগ্রহ করে হামলার দায়িত্ব দেন যুবরাজকে। ওই ঘটনায় হামলার পরিকল্পনা ও সরাসরি অংশ নেওয়ার অভিযোগে এ পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে আটজন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।
"আমাদের প্রকল্পে আবার দুর্বৃত্তদের হামলা হয়েছে। পুলিশ এসেছে ঘটনাস্থলে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আরিফ (ওসি), মো. নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া, সালমান মুক্তাদির, মো. ইব্রাহিম ওরফে ‘কিলার’ ইব্রাহিম, যুবরাজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৯৯ (জরুরি সেবা নম্বর), ২৬ সেপ্টেম্বর, ১৩ জন (হামলার পরিকল্পনা), ১১ জন (গ্রেপ্তার), ৯ জন (আরো জড়িত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!