📌 নেত্রকোনার কলমাকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সভায় সহকারী শিক্ষক মো. খুরশেদ আলম তার স্ত্রীকে ‘কথা কস ক্যারে’ বলে থাপ্পড় মারেন। ঘটনাটি ভিডিওর মাধ্যমে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর জেলা প্রশাসন তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে।
নেত্রকোনার কলমাকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সভায় সহকারী শিক্ষক মো. খুরশেদ আলম তার স্ত্রীকে ‘কথা কস ক্যারে’ বলে থাপ্পড় মারেন। ঘটনাটি ১৫ সেপ্টেম্বর ঘটে, কিন্তু মঙ্গলবার বিকেলে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর প্রশাসনিক তদন্ত শুরু হয়। প্রধান শিক্ষক মো. সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন খুরশেদ আলম। তার স্ত্রী ও শিক্ষিকা তাঁকে থামাতে গেলে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে স্ত্রীকে আঘাত করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নেত্রকোনার কলমাকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক মো. খুরশেদ আলম তার স্ত্রীকে ‘কথা কস ক্যারে’ বলে থাপ্পড় মারেন।
- 📌 ১৫ সেপ্টেম্বর সভায় ঘটনাটি ঘটে, কিন্তু ২০ সেপ্টেম্বর প্রধান শিক্ষক উপজেলা প্রশাসনে অভিযোগ দেন।
- 📌 ১ মিনিট ৫৮ সেকেন্ড দীর্ঘ ভিডিওতে খুরশেদ আলম স্ত্রীকে ‘থাপ্পড় দিয়ে দাঁত ফালাইয়া দিবো’ বলে আঘাত করেন।
- 📌 জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শহীদুল আজম অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছেন।
- 📌 খুরশেদ আলম বলেন, ঘটনার সময় নিজের রাগ সংযত করতে পারেননি, কিন্তু এখন নিজেই বিব্রত।
📰 বিস্তারিত
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সভায় সহকারী শিক্ষক মো. খুরশেদ আলমের স্ত্রী ও শিক্ষিকা তাঁকে শান্ত করতে গেলে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে স্ত্রীকে থাপ্পড় মারেন। ঘটনাটি ১৫ সেপ্টেম্বর ঘটে, কিন্তু মঙ্গলবার বিকেলে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর প্রশাসনিক তদন্ত শুরু হয়। প্রধান শিক্ষক মো. সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন খুরশেদ আলম। তার স্ত্রী ও শিক্ষিকা তাঁকে থামাতে গেলে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে স্ত্রীকে ‘থাপ্পড় দিয়ে দাঁত ফালাইয়া দিবো, কথা কস ক্যারে?’ বলে আঘাত করেন। এরপর তিনি স্ত্রীকে বলেন, ‘অফিস হইছে দেইখ্খা কী হইছে? আমি কি কেউর কর্মচারী?’ এরপর তিনি স্ত্রীকে থাপ্পড় মারেন এবং বলেন, ‘বাইর হ’।
ভুক্তভোগী শিক্ষিকার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি। তবে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. খুরশেদ আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আট বছর ধরে আমি ওই বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছি। আমার স্ত্রী প্রায় পাঁচ বছর ধরে আছেন। বিষয়টি নিয়ে আমি অনুতপ্ত। ঘটনার সময় নিজের রাগ সংযত করতে পারেননি। বিষয়টি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর আমিও বিব্রত অবস্থায় পড়েছি। আমি ও আমার স্ত্রী নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাচ্ছি বলেও জানিয়েছেন তিনি।’
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শহীদুল আজম জানান, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, ‘স্বামী-স্ত্রী হলেও বিদ্যালয়ের মধ্যে কোনো শিক্ষক আরেকজন শিক্ষককে থাপ্পড় মারতে পারেন না। এমন অসদাচরণ চাকরি বিধির পরিপন্থী। ইতিমধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেয়েছি। এ ব্যাপারে বিভাগীয় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
"আমি কি কেউর কর্মচারী? অফিস হইছে দেইখ্খা কী হইছে? থাপ্পড় দিয়ে দাঁত ফালাইয়া দিবো, কথা কস ক্যারে?"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলমাকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নেত্রকোনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. খুরশেদ আলম (সহকারী শিক্ষক), মো. সিরাজুল ইসলাম (প্রধান শিক্ষক), শহীদুল আজম (জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ সেপ্টেম্বর (ঘটনার তারিখ), ২০ সেপ্টেম্বর (অভিযোগ দানের তারিখ), ১ মিনিট ৫৮ সেকেন্ড (ভিডিও দৈর্ঘ্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!