📌 নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় বাকিতে সিগারেট না দেওয়ায় অভিযুক্ত যুবক পেট্রোল ছিটিয়ে দোকান জ্বালিয়ে দেন। দোকানমালিক ইব্রাহিম খলিল (৪৫) গুরুতর দগ্ধ হন এবং ঢাকার বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন। অভিযুক্ত সুমন মিয়া মাদকাসক্ত বলে জানা গেছে এবং তাকে আটক করা হয়েছে
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় বাকিতে সিগারেট না দেওয়ায় একটি মনোহারি দোকান জ্বালিয়ে দেন অভিযুক্ত যুবক। এতে দোকানমালিক ইব্রাহিম খলিল (৪৫) গুরুতর দগ্ধ হন এবং দোকানের অধিকাংশ মালামাল পুড়ে যায়। ঘটনাটি ঘটে গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টায় সান্দিকোনা ইউনিয়নের সাহিতপুর বাজারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইব্রাহিম খলিল (৪৫) সিগারেট না দেওয়ায় পেট্রোল আগুনে দগ্ধ হন, ঢাকার বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন
- 📌 অভিযুক্ত সুমন মিয়া মাদকাসক্ত, সিগারেট না পেয়ে পেট্রোল ছিটিয়ে দোকান জ্বালানোর স্বীকার
- 📌 দোকান পুড়ে যায়, অধিকাংশ মালামাল নষ্ট, ঘটনাস্থলে বাজারের লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন
- 📌 কেন্দুয়া থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম জানান, অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে, মামলা প্রক্রিয়াধীন
- 📌 ঘটনায় দোকানমালিকের শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে গেছে, অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর
📰 বিস্তারিত
সান্দিকোনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলাম জানান, ইব্রাহিম খলিলুর রহমানের শরীরের বিভিন্ন অংশ আগুনে ঝলসে গেছে। তিনি চেংজানা গ্রামের সুলতান মিয়ার ছেলে এবং সাহিতপুর বাজারে মনোহারি ব্যবসা করতেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত সুমন মিয়া একই গ্রামের কাদের নেওয়াজের ছেলে। তিনি প্রায়ই দোকান থেকে বাকিতে জিনিসপত্র নিয়ে টাকা দিতেন না। গতকাল রাতে তিনি দোকানে এসে খলিলের কাছে বাকিতে সিগারেট চান। তবে খলিল বাকিতে সিগারেট দিতে অস্বীকৃতি জানালে দুজনের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। ওসি মো. তরিকুল ইসলাম জানান, বাগ্বিতণ্ডার পর সুমন দোকানের সামনে রাখা পেট্রোল বোতল থেকে পেট্রোল নিয়ে দোকানের ভেতরে ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং খলিল দগ্ধ হন।
ঘটনার পরপরই বাজারের লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং খলিলকে উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। প্রাথমিক চিকিৎসার পর চিকিৎসকেরা তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করেন। ওসি জানান, এ ঘটনায় রাতেই সুমন মিয়াকে আটক করা হয়েছে এবং তিনি এ কাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন। তবে এখনো কোনো মামলা হয়নি। ওসি আরও জানান, সুমন একজন মাদকাসক্ত এবং সিগারেট না পেয়ে তিনি এমনটি করেছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
"আগুনে খলিলুর রহমানের শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে গেছে এবং তাঁর অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর।" — নজরুল ইসলাম, সান্দিকোনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেত্রকোনা, কেন্দুয়া উপজেলা, সান্দিকোনা ইউনিয়ন, সাহিতপুর বাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইব্রাহিম খলিল (৪৫), সুমন মিয়া, ওসি মো. তরিকুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ বছর (ইব্রাহিম খলিলের বয়স), ১ অক্টোবর (ঘটনার তারিখ), সাড়ে ১০ টা (ঘটনার সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!