📌 নেত্রকোনার মদন উপজেলায় স্বামী মেহেদী হাসান (২৮) ও পরিবারের চারজনকে অভিযোগে দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, টাকার দাবিতে স্ত্রী আসমা আক্তারকে হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয়। অভিযোগের পর থানায় তদন্ত শুরু হয়েছে
নেত্রকোনার মদন উপজেলায় টাকার দাবিতে স্ত্রীকে মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগে স্বামী মেহেদী হাসান (২৮) এবং তার পরিবারের চারজনকে লিখিত অভিযোগে দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী নারী আসমা আক্তার (২১) মদন থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, স্বামী টাকার দাবিতে স্ত্রীকে হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নেত্রকোনার মদন উপজেলায় স্বামী মেহেদী হাসান (২৮) ও পরিবারের চারজনকে টাকার দাবিতে স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা হয়েছে
- 📌 অভিযোগে বলা হয়েছে, ৪ জুন সন্ধ্যায় আসমা আক্তারকে কক্ষে আটকে হাত-পা রশি দিয়ে বেঁধে মারধর করা হয়
- 📌 মারধরের ফলে আসমার শরীরে মারাত্মক জখম হয় এবং তলপেটে লাথি মারায় রক্তক্ষরণ শুরু হয়
- 📌 অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে মেহেদী হাসান, শ্বশুর ইয়াসিন মিয়া (৫৫), শাশুড়ি পেয়ারা আক্তার (৫০) এবং মেহেদীর ভাই গোলাম রাব্বি (২৬)
- 📌 অভিযোগের পর থানায় তদন্ত শুরু হয়েছে এবং অভিযুক্ত মেহেদী হাসান অভিযোগ অস্বীকার করেছেন
📰 বিস্তারিত
মদন উপজেলার তিয়শ্রী ইউনিয়নের কুটুরিকোণা গ্রামের বাসিন্দা মেহেদী হাসান (২৮) তার স্ত্রী আসমা আক্তার (২১) ও পরিবারের চারজনের বিরুদ্ধে মদন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, এক বছর আগে আসমা আক্তারের সঙ্গে মেহেদী হাসানের পারিবারিক বিয়ে হয়। বিয়ের পর মেহেদী ব্যবসার কথা বলে আসমার মায়ের কাছ থেকে ব্যাংক থেকে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা ধার নেন। কিছুদিন পর তিনি আরও ৪ লাখ টাকা দাবি করেন। আসমার মা অতিরিক্ত টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে আসমার ওপর নানাভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু হয়।
গত ৪ জুন সন্ধ্যায় কুটুরিকোণা গ্রামে স্বামীর বাড়িতে আসমার কাছে পুনরায় ৪ লাখ টাকা চান মেহেদী। টাকা দিতে না চাইলে প্রথমে তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। একপর্যায়ে পরিবারের অন্য সদস্যদের সহায়তায় আসমাকে একটি কক্ষে আটকে হাত-পা রশি দিয়ে বেঁধে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। মারধরের ফলে আসমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক জখম হয় এবং তলপেটে লাথি মারায় রক্তক্ষরণ শুরু হয়। মারধরের একপর্যায়ে আসমা অচেতন হয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে চাইলে তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে মেহেদী হাসান বলেছেন, ‘ধারের টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে, যার উপযুক্ত প্রমাণ আমাদের কাছে রয়েছে। আসমাকে কোনো ধরনের নির্যাতন করা হয়নি। আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।’
"আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। ধারের টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে, যার উপযুক্ত প্রমাণ আমাদের কাছে রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মদন উপজেলা, নেত্রকোনা, কুটুরিকোণা গ্রাম, তিয়শ্রী ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেহেদী হাসান (২৮), আসমা আক্তার (২১), ইয়াসিন মিয়া (৫৫), পেয়ারা আক্তার (৫০), গোলাম রাব্বি (২৬)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ৪ লাখ টাকা, ৪ জুন, ২১ বছর, ২৮ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!