📌 নাটোরের বড়াইগ্রামে বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ জনে। আহতের মধ্যে কেউরাই অবস্থা আশঙ্কাজনক। দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে শরীয়তপুরের সোহাগ হোসেনের পরিচয় পাওয়া গেছে
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় রাতের অন্ধকারে বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ জনে। দুর্ঘটনায় আহতের সংখ্যা ৩০ জনেরও বেশি। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে নিহতের সংখ্যা বাড়ার পর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে একজন পরিচিত হলেন শরীয়তপুরের সোহাগ হোসেন (৩০)।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১১ জন মৃত্যুবরণ — ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে মোট ১১ জনের মৃত্যু, যার মধ্যে ৯ জন ঘটনাস্থলেই নিহত হন, বাকি ২ জন হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন
- 📌 ৩০ জন আহত — আহতদের মধ্যে কেউরাই অবস্থা আশঙ্কাজনক, তাদেরকে নাটোর সদর হাসপাতাল ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে
- 📌 সোহাগ হোসেন (৩০) নিহত — শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার কাজিরহাট গ্রামের বাসিন্দা সোহাগ হোসেনের পরিচয় পাওয়া গেছে
- 📌 দুর্ঘটনার সময়সূচী — ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের বড়াইগ্রাম এলাকায়
- 📌 বাসে অতিরিক্ত যাত্রী ও অপদ্রব — যাত্রী আব্দুস সালামের অভিযোগ, বাসে অতিরিক্ত যাত্রী থাকায় আসন পূর্ণ ছিল এবং অনেক যাত্রী দাঁড়িয়ে ছিলেন
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের বড়াইগ্রাম উপজেলার সরকারপাড়া এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষ ঘটে। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই নয়জন নিহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়া দুজনেরও মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। ঘটনাস্থল থেকে নয়জনের মরদেহ উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহতদেরকে স্থানীয় ক্লিনিক, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নাটোর সদর হাসপাতাল ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে একজন পরিচিত হলেন শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার কাজিরহাট গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে সোহাগ হোসেন (৩০)। অন্য নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে। বনপাড়া হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ আলমগীর হোসেন এবং নাটোর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন উপপরিচালক আক্তার হামিদ খান জানান, উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে।
দুর্ঘটনাকবলিত বাসের যাত্রী আব্দুস সালাম জানান, তিনি মাদারীপুরের মোস্তাকপুর থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ যাওয়ার জন্য রাত ৯টার দিকে বাসে ওঠেন। তিনি বলেন, বাসে অতিরিক্ত যাত্রী থাকায় আসন পূর্ণ ছিল এবং অনেক যাত্রী দাঁড়িয়ে ছিলেন। যাত্রীর চাপে বাসের ভেতরে পা ফেলারও জায়গা ছিল না। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বাসটি অতিরিক্ত গতিতে চলছিল এবং চালক মাঝেমধ্যে জোরে ব্রেক করছিলেন, যার ফলে যাত্রীরা আসন থেকে ছিটকে পড়ছিলেন।
"বাসে অতিরিক্ত যাত্রী থাকায় আসন পূর্ণ ছিল এবং অনেক যাত্রী দাঁড়িয়ে ছিলেন। যাত্রীর চাপে বাসের ভেতরে পা ফেলারও জায়গা ছিল না।"
নাটোরের জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তার জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাচ্ছেন। পরিদর্শন শেষে তদন্ত কমিটি গঠনসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা, সরকারপাড়া এলাকা, নাটোর-পাবনা মহাসড়ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সোহাগ হোসেন (৩০), আব্দুস সালাম, আলমগীর হোসেন (এসআই), আক্তার হামিদ খান (উপপরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ জন মৃত্যুবরণ, ৩০ জন আহত, ৯ জন ঘটনাস্থলেই নিহত, ২ জন হাসপাতালে মৃত্যুবরণ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!