📌 নাটোরের গুরুদাসপুরে যুবদল নেতা জিয়াউর রহমান জিয়া ও তার ভাই ইয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধে কালো জাদুর অভিযোগে তিন নারীকে জুতার মালা পরিয়ে সড়কে ঘোরানো এবং ফাঁকা স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার ঘটনা ঘটে। ভিডিওতে ঘটনার প্রমাণ পাওয়া গেছে
নাটোরের গুরুদাসপুরে কালো জাদুর মিথ্যা অভিযোগে তিন নারীকে জুতার মালা পরিয়ে গ্রামের পাকা সড়কে ঘোরানো এবং তাদেরকে ঘরে আটকে ফাঁকা স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার ঘটনা ঘটে। ঘটনার দুটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ঘটনার সত্যতা প্রমাণ করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জিয়াউর রহমান জিয়া ও তার ভাই ইয়ারুল ইসলামকে অভিযোগে জড়িত করা হয়েছে — তাদের বিরুদ্ধে কালো জাদুর অভিযোগে তিন নারীকে জুতার মালা পরিয়ে ঘোরানো হয়েছে।
- 📌 ৫ অক্টোবর রাতে গুরুদাসপুর পৌরসভার গাড়িষাপাড়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। ভিডিওতে দেখা যায়, তিন নারীর গলায় জুতার মালা পরিয়ে সড়কে ঘোরানো হয়েছে এবং তাদের মারধর করা হয়েছে।
- 📌 ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার সময় একজন ব্যক্তি সাবলু নামের ব্যক্তি তাদের কাছ থেকে স্বাক্ষর নিচ্ছিলেন, যা ভিডিওতে ধরা পড়েছে।
- 📌 ভুক্তভোগী নারীদের দাবি, তাদেরকে জোর করে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে মারধর করা হয়েছে এবং কালো জাদু করার মিথ্যা অভিযোগের শাস্তি হিসেবে তাদেরকে অপমান করা হয়েছে।
- 📌 ইয়ারুল ইসলাম নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রতিবাদে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন, দাবি করেছেন যে তিন নারী তার মেয়েকে ‘কুফরি কালাম’ ও ‘বান’ মারার জন্য দায়ী।
- 📌 গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবদুল হান্নান বলেছেন, তিন নারীকে জুতার মালা পরিয়ে ঘোরানোর বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি।
📰 বিস্তারিত
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার যুবদল নেতা জিয়াউর রহমান জিয়া ও তার ভাই ইয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধে কালো জাদুর অভিযোগে তিন নারীকে জুতার মালা পরিয়ে সড়কে ঘোরানোর ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৫ অক্টোবর) রাতে গুরুদাসপুর পৌরসভার গাড়িষাপাড়া গ্রামে। ঘটনার দুটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ঘটনার সত্যতা প্রমাণ করে। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তিন নারীর গলায় জুতার মালা পরিয়ে গ্রামের পাকা সড়কে ঘোরানো হচ্ছে। অন্য একটি ভিডিওতে তাদেরকে ঘরে আটকে রাখা অবস্থায় দেখা যায়, যেখানে একজন ব্যক্তি তাদের কাছ থেকে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিচ্ছেন।
ভুক্তভোগী নারীদের অভিযোগ, তাদেরকে জোর করে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে মারধর করা হয়েছে এবং কালো জাদু করার মিথ্যা অভিযোগের শাস্তি হিসেবে তাদেরকে অপমান করা হয়েছে। তারা দাবি করেছেন, তাদেরকে জোরপূর্বক ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কঠোর বিচার দাবি করেছেন তারা।
ইয়ারুল ইসলাম নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রতিবাদে সোমবার সন্ধ্যায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তার দাবি, তিন নারী তার মেয়েকে ‘কুফরি কালাম’ ও ‘বান’ মারার জন্য দায়ী। তিনি দাবি করেছেন, প্রায় ৫০ হাজার টাকা বিনিময়ে বিভিন্ন কবিরাজের মাধ্যমে ওই তিন নারী তার মেয়েকে ‘কুফরি কালাম’ ও ‘বান’ মারার জন্য দায়ী করেছেন। তবে তিন নারীকে জুতার মালা পরিয়ে ঘোরানোর অভিযোগের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
অভিযুক্ত জিয়াউর রহমান জিয়ার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবদুল হান্নান বলেছেন, ‘তিন নারীকে জুতার মালা পরিয়ে সড়কে ঘোরানোর বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
"তান্ত্রিকের সূত্রে জিয়াউর রহমান জিয়ার ভাতিজিকে ‘কুফরি কালাম’ ও ‘কালো জাদু’ করে ‘বান’ মারার অভিযোগ তোলা হয় ওই তিন নারীর বিরুদ্ধে। এরপর ওই অভিযোগের শাস্তি হিসেবে দুই মধ্যবয়সী নারী ও এক তরুণীকে বাড়ি থেকে তুলে এনে জুতার মালা পরিয়ে সড়কে ঘোরানো হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গুরুদাসপুর পৌরসভার গাড়িষাপাড়া গ্রাম, নাটোর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জিয়াউর রহমান জিয়া, ইয়ারুল ইসলাম, সাবলু, মো. আবদুল হান্নান, ভুক্তভোগী তিন নারী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!