📌 নাটোরের বড়াইগ্রামে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে মারা যান ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম (৫০) ও তার মেয়ে তাছফিয়া আক্তার (৯)। তাদের স্ত্রী ও ছেলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকলেও মৃত্যুর খবর এখনো জানানো হয়নি। ঘটনায় মোট ১২ জন নিহত হয়
নাটোরের বড়াইগ্রামে ঘটে যাওয়া বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে মারা যান ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম (৫০) ও তার মেয়ে তাছফিয়া আক্তার (৯)। দুর্ঘটনায় আহত হন তাদের স্ত্রী মোসা. রুবিনা আক্তার (৪০) ও ছেলে লাবিব (১১)। তবে মৃত্যুর খবর এখনো জানানো হয়নি তাদেরকে। ঘটনাস্থলে শহিদুল ও তার মেয়ে চিরনিদ্রায় শায়িত হন, অন্যদিকে মা-ছেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নাটোরের বড়াইগ্রামে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে মারা যান শহিদুল ইসলাম (৫০) ও তার মেয়ে তাছফিয়া আক্তার (৯)
- 📌 মৃত্যুর খবর জানেন না হাসপাতালে ভর্তি স্ত্রী রুবিনা আক্তার (৪০) ও ছেলে লাবিব (১১)
- 📌 ঘটনায় মোট ১২ জন নিহত, আহত ৩২ জন
- 📌 শহিদুল মাগুরায় ব্র্যাক ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক ছিলেন
- 📌 বাবা-মেয়ের দাফন সম্পন্ন হয়েছে মির্জাগঞ্জে, পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
পূজার ছুটিতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রাজশাহীতে ভায়রার বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিলেন শহিদুল ইসলাম। গত সোমবার বিকেল চারটার দিকে স্ত্রী রুবিনা আক্তার, মেয়ে তাছফিয়া ও ছেলে লাবিবকে নিয়ে মির্জাগঞ্জ থেকে স্বামীর কর্মস্থল মাগুরায় যান। সেখান থেকে মঙ্গলবার সকালে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাসে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হন শহিদুল। পথে নাটোরে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাকের সঙ্গে তাদের বহনকারী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই শহিদুল ও তার মেয়ে তাছফিয়ার মৃত্যু হয়।
শহিদুলের বড় ভাই মো. ফারুক হাওলাদার জানান, ‘একটা দুর্ঘটনায় সব শেষ হয়ে গেল। আমার ভাই শহিদুল ইসলাম ও ভাতিজি তাছফিয়া ঘটনাস্থলেই মারা গেছে। অন্যদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে শহিদুলের স্ত্রী রুবিনা ও ছেলে লাবিব। এখন পর্যন্ত মৃত্যুর ঘটনা তাদের জানানো হয়নি।’
গত মঙ্গলবার ভোর চারটার দিকে ঘটনাস্থলে বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে মোট ১২ জন নিহত হন। আহত হন অন্তত ৩২ জন। শহিদুলের স্ত্রী ও ছেলে নাটোর ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা লাভ করেন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত হন। শহিদুলের বাড়ি মির্জাগঞ্জ উপজেলার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত।
"একটা দুর্ঘটনায় সব শেষ হয়ে গেল। আমার ভাই শহিদুল ইসলাম ও ভাতিজি তাছফিয়া ঘটনাস্থলেই মারা গেছে। অন্যদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে শহিদুলের স্ত্রী রুবিনা ও ছেলে লাবিব। এখন পর্যন্ত মৃত্যুর ঘটনা তাদের জানানো হয়নি।"
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, ‘নিহত পরিবারের পক্ষ থেকে থানা-পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়নি। পুলিশ স্বপ্রণোদিত হয়ে তাদের খোঁজখবর নিয়েছে। জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করতে পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা, মির্জাগঞ্জ উপজেলা (মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শহিদুল ইসলাম (৫০), মোসা. রুবিনা আক্তার (৪০), তাছফিয়া আক্তার (৯), লাবিব (১১), মো. ফারুক হাওলাদার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ জন নিহত, ৩২ জন আহত, ৫০ বছর (শহিদুল), ৯ বছর (তাছফিয়া), ৪০ বছর (রুবিনা), ১১ বছর (লাবিব)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!