📅 ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নাটোর দুর্ঘটনায় মারা যান ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মকর্তা ও তার ৯ বছর বয়সী মেয়ে, আহত স্ত্রী-ছেলেকে মৃত্যুর খবর জানানো হয়নি

নাটোর দুর্ঘটনায় মারা যান ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মকর্তা ও তার ৯ বছর বয়সী মেয়ে, আহত স্ত্রী-ছেলেকে মৃত্যুর খবর জানানো হয়নি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নাটোরের বড়াইগ্রামে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম (৫০) ও তার ৯ বছর বয়সী মেয়ে তাছফিয়া আক্তার নিহত হন। তাদের দাফন করা হয় পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে, কিন্তু আহত স্ত্রী রুবিনা আক্তার (৪০) ও ছেলে লাবিব (১১)কে মৃত্যুর খবর জানানো হয়নি। ঘটনায় মোট ১২ জন নিহত ও ৩২ জন আহত হয়

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম (৫০) ও তার ৯ বছর বয়সী মেয়ে তাছফিয়া আক্তার (৯) নিহত হন। দুর্ঘটনায় আহত হন তাদের স্ত্রী রুবিনা আক্তার (৪০) ও ছেলে লাবিব (১১)। মৃত্যুর খবর জানানো হয়নি আহত দু’জনের। ঘটনাস্থলে শহিদুল ইসলাম ও তার মেয়ে ঘটনাস্থলে মৃত্যুবরণ করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নাটোরের বড়াইগ্রামে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে শহিদুল ইসলাম (৫০) ও তার মেয়ে তাছফিয়া আক্তার (৯) নিহত হন
  • 📌 মৃত্যুর খবর জানানো হয়নি আহত স্ত্রী রুবিনা আক্তার (৪০) ও ছেলে লাবিব (১১)-কে
  • 📌 শহিদুল ইসলামের দেহসঙ্গী মা-ছেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
  • 📌 ঘটনায় মোট ১২ জন নিহত ও ৩২ জন আহত হন
  • 📌 শহিদুল ইসলাম মাগুরা জেলায় ব্র্যাক ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক ছিলেন
  • 📌 মৃতদেহ পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে বাড়ির আঙিনায় দাফন করা হয়

📰 বিস্তারিত

গত সোমবার বিকেল চারটার দিকে রাজশাহীতে পূজার ছুটির আনন্দে বাড়ি থেকে বের হন শহিদুল ইসলামের পরিবার। মির্জাগঞ্জ থেকে বাসে করে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হন তারা। পথে নাটোরে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাকের সঙ্গে বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে শহিদুল ইসলাম ও তার মেয়ে তাছফিয়া ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।

শহিদুল ইসলামের বড় ভাই ফারুক হাওলাদার জানান, ‘পূজার ছুটির আনন্দে সবাই মিলে রাজশাহীতে আত্মীয়ের বাড়িতে যাচ্ছিলাম। কিন্তু দুর্ঘটনায় সব শেষ হয়ে গেল। আমার ভাই শহিদুল ইসলাম ও ভাতিজি তাছফিয়া ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। অন্যদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে শহিদুলের স্ত্রী রুবিনা ও ছেলে লাবিব। এখন পর্যন্ত মৃত্যুর ঘটনা তাঁদের জানানো হয়নি।’

মৃতদেহ গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টায় মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাড়িতে পৌঁছায়। সেখান থেকে আজ বুধবার সকাল ১০টায় হযরত ইয়ার উদ্দিন খলিফা (র.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে শহিদুল ইসলাম ও তার মেয়ে তাছফিয়া আক্তারকে দাফন করা হয়।

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে ঘটনাস্থলে ঘটনায় মোট ১২ জন নিহত ও ৩২ জন আহত হন। মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের পক্ষ থেকে থানা-পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়নি। পুলিশ স্বপ্রণোদিত হয়ে তাদের খোঁজখবর নিয়েছে।

"আমার ভাই শহিদুল ইসলাম ও ভাতিজি তাছফিয়া ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। অন্যদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে শহিদুলের স্ত্রী রুবিনা ও ছেলে লাবিব। এখন পর্যন্ত মৃত্যুর ঘটনা তাঁদের জানানো হয়নি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা, মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী), ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শহিদুল ইসলাম (৫০), তাছফিয়া আক্তার (৯), রুবিনা আক্তার (৪০), লাবিব (১১), ফারুক হাওলাদার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ জন নিহত, ৩২ জন আহত, ৫০ বছর বয়সী শহিদুল ইসলাম, ৯ বছর বয়সী মেয়ে তাছফিয়া

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖