📌 নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়নে ইটভাটা ও মাটি কাটার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে সংঘর্ষে গুলিবর্ষণে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এক ছেলে গুলিবিদ্ধ হন। পুলিশ ঘটনাস্থলে মোতায়েন করেছে
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়নে ইটভাটা ও মাটি কাটার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে সংঘর্ষে গুলিবর্ষণে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার দুপুর ১টায় ইউনিয়নের আকবরনগর এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এখনো কোনো ব্যক্তিকে আটক করা হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়নে ইটভাটা ও মাটি কাটার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে সংঘর্ষে গুলিবর্ষণে ১০ জন আহত,其中 এক ছেলে গুলিবিদ্ধ হন
- 📌 সংঘর্ষে জড়িত বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম ও আওয়ামী লীগের নেতা সামেদ আলীর মধ্যে উত্তেজনা বাড়ে
- 📌 হালিম আজাদ ও খবির মিয়া নেতৃত্বে একদল আওয়ামী লীগের লোকজনের সঙ্গে নজরুল ইসলামের দলের সংঘর্ষে গুলিবর্ষণ হয়
- 📌 সামেদ আলীর ছোট ছেলে হৃদয় গুলিবিদ্ধ হন, তিনি বলেন, হালিম আজাদ তাঁর কাছে থাকা পিস্তল দিয়ে গুলি করে
- 📌 ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটু জানান, বিএনপি দলের সিদ্ধান্তে এই ঘটনায় তদন্ত করা হবে
- 📌 ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে মাটি কাটার প্রতিবাদে জেলা এনসিপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক তাওহীদুল ইসলামের ওপর হালিম আজাদের হামলার অভিযোগ উঠেছিল
📰 বিস্তারিত
ফতুল্লা থানা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বক্তাবলী ইউনিয়নের ধলেশ্বরী নদীর পশ্চিম তীরে অবৈধভাবে মাটি কাটা ও ইটভাটার চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম প্রধান ও আওয়ামী লীগের নেতা সামেদ আলীর মধ্যে উত্তেজনা বাড়ে। অন্যদিকে ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হালিম আজাদ ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি খবির মিয়া তাদের লোকজনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ দাবি করছিলেন।
স্থানীয়দের দাবি, আগের আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এই সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতেন ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী। গণঅভ্যুত্থানের পর এই নিয়ন্ত্রণ শুরু করেন হালিম আজাদ ও খবির মিয়ার লোকজন। সাম্প্রতিককালে নজরুল ইসলাম প্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ করে এলাকায় ফিরে আসেন শওকত আলীর ঘনিষ্ঠজন সামেদ আলী। এরপরই ইটভাটা ও মাটি কাটার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
সংঘর্ষের সময় হালিম আজাদ ও খবির মিয়ার দলবল আকবরনগরে মহড়া দিতে যান। এ সময় নজরুল ইসলাম প্রধান ও সামেদ আলীর লোকজনের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে সামেদ আলীর ছোট ছেলে হৃদয় গুলিবিদ্ধ হন। তিনি বলেন, ‘আমি বাসা থেকে বের হয়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে হালিম আজাদের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং গুলি করে। পরে আশপাশের লোকজন আমাকে খানপুর হাসপাতালে নিয়ে আসে।’
ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটু জানান, ‘আমি শুনতে পেয়েছি নজরুল প্রধান এক জায়গায় প্রোগ্রাম করছিলেন। সেখানে হালিম আজাদ ছেলেটা দলবল নিয়ে গেছে। এ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আমি নজরুলকে ফোন দিয়েছি, কিন্তু সে আমার ফোন ধরেননি। বিস্তারিত খোঁজখবর নিচ্ছি।’
"আমি বাসা থেকে বের হয়ে আমার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হালিম আজাদের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং হালিম আজাদ তাঁর কাছে থাকা পিস্তল দিয়ে আমাকে গুলি করে। পরে আশপাশের লোকজন আমাকে খানপুর হাসপাতালে নিয়ে আসে।"
ফতুল্লা থানা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) শামিম হোসেন জানান, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা উপজেলা, বক্তাবলী ইউনিয়ন, আকবরনগর এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নজরুল ইসলাম (বিএনপি সভাপতি), সামেদ আলী (আওয়ামী লীগ নেতা), হালিম আজাদ (বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক), খবির মিয়া (আওয়ামী লীগ সেক্রেটারি), হৃদয় (সামেদ আলীর ছেলে)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জন আহত, ১ জন গুলিবিদ্ধ, ২৮ সেপ্টেম্বর (পূর্ববর্তী ঘটনা), ১২ দিন (পূর্ববর্তী ঘটনার পর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!