📌 ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ নাদিয়া বেগম (১৯) নিহত পাওয়ার পর তার স্বামী কাওছার মিয়ার (২৩) সাথে পরিবারের সদস্যরা পলাতক হয়ে গেছেন। নিহতের মা ময়ফুল বানু জানান, নাদিয়া নির্যাতনের শিকার হওয়ার কথা বলেছিলেন কিন্তু বাবা-মা তাকে মানিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন
ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ নাদিয়া বেগম (১৯) নিহত পাওয়ার পর তার স্বামীসহ পরিবারের সদস্যরা পলাতক হয়ে গেছেন। গতকাল বুধবার রাতে হাতিখলা গ্রামের নূর চানের ছেলে কাওছার মিয়ার বাড়ি থেকে নাদিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় অন্তঃসত্ত্বা নাদিয়া বেগম (১৯) নিহত পাওয়ার পর স্বামী কাওছার মিয়ার (২৩) ও পরিবারের সদস্যরা পলাতক হয়ে গেছেন
- 📌 নিহত নাদিয়া তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন এবং শ্বশুরবাড়িতে নির্যাতনের শিকার ছিলেন বলে মা-বাবাকে জানিয়েছিলেন
- 📌 নিহতের মা ময়ফুল বানু জানান, মেয়েজামাই কাওছারের এক আত্মীয় রাত ৮টার দিকে ফোন করে নাদিয়ার মৃত্যুর খবর দেন
- 📌 রাত ৯টার দিকে নিহতের পরিবার গিয়ে দেখেন, অসংখ্য মানুষের ভিড় থাকলেও স্বামী ও পরিবারের সদস্যরা ছিলেন না
- 📌 ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার হাতিখলা গ্রামে গতকাল বুধবার রাতে নাদিয়া বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নাদিয়া দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার লংগাইর ইউনিয়নের বাগবাড়ি গ্রামের নাজিম উদ্দিনের মেয়ে। এক বছর আগে তিনি হাতিখলা গ্রামের নূর চানের ছেলে কাওছার মিয়ার সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিবাহের পর থেকে নাদিয়া শ্বশুরবাড়িতে নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছিলেন বলে মা-বাবাকে জানিয়েছিলেন। তবে বাবা-মা তাঁকে মানিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন।
নিহতের মা ময়ফুল বানু জানান, ‘বুধবার দুপুরে নাদিয়া ফোন করে জানায়, কিছুক্ষণ পর সে আমাদের বাড়িতে আসবে। পরে রাত ৮টার দিকে মেয়েজামাই কাওছারের এক আত্মীয় কল করে নাদিয়ার মৃত্যুর খবর দেন। রাত ৯টার দিকে আমরা গিয়ে শ্বশুরবাড়িতে নাদিয়ার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখি। এ সময় অসংখ্য মানুষের ভিড় থাকলেও স্বামী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ছিলেন না। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।’
নিহত নাদিয়া তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। মা ময়ফুল বানু বলেন, ‘আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। যদি হত্যা না করে থাকে, তাহলে মেয়েজামাইসহ বাড়ির অন্য সদস্যরাও কেন বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেল?’
"আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। যদি হত্যা না করে থাকে, তাহলে মেয়েজামাইসহ বাড়ির অন্য সদস্যরাও কেন বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেল?"
থানার পরিদর্শক মশিউর রহমান জানান, আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য গৃহবধূর মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের মা ময়ফুল বেগম থানায় অভিযোগ করেছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ময়মনসিংহ, গফরগাঁও উপজেলা, হাতিখলা গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাদিয়া বেগম (১৯), কাওছার মিয়ার (২৩), ময়ফুল বানু, মশিউর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ বছর (নাদিয়া), ২৩ বছর (কাওছার), ৩ মাস (অন্তঃসত্ত্বা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!