📌 মুন্সিগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের যুবদল সভাপতি জহির ফকির (৪৫) বুধবার রাতে নিজ বাড়ি ফেরার পথে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। অভিযোগে দাঁড়িয়েছে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসা ছাত্রদলের সাবেক সদস্যসচিব মোবারক হোসাইন ও তাঁর লোকজন
মুন্সিগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় বুধবার রাতে একটি কুখ্যাত হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিজ বাড়ি ফেরার পথে যুবদল নেতা জহির ফকির (৪৫) কুপিয়ে মেরে ফেলা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল এই হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জহির ফকির (৪৫) — আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের যুবদল সভাপতি ও মুন্সিগঞ্জের বাসিন্দা — বুধবার রাত ১০টায় নিজ ফার্মেসি বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে ১৫-২০ জনের একটি দলের হামলায় কুপিয়ে নিহত হন।
- 📌 হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল ছিল সোনারগাঁয়ের চরকিশোরগঞ্জ এলাকা — যা মুন্সিগঞ্জ উপজেলার কাছাকাছি।
- 📌 অভিযোগে দাঁড়িয়েছে মোবারক হোসাইন — আড়াইহাজার উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্যসচিব — যিনি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জহিরের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।
- 📌 জহিরের ভাগ্নে ইসমাইল ও বিল্লাল হোসেন জানান, মোবারক ও তাঁর লোকজন পূর্বপরিকল্পিতভাবে জহিরকে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
- 📌 আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব খোরশেদ আলম বলেন, জহির প্রায়ই তাঁকে বলতেন, ‘তাঁকে মেরে ফেলা হতে পারে’।
- 📌 হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থলে আহত অবস্থায় জহিরকে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।
- 📌 সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বারিক জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।
📰 বিস্তারিত
মুন্সিগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের যুবদল সভাপতি জহির ফকির (৪৫) বুধবার রাত ১০টার দিকে নিজ ফার্মেসি বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে হামলার শিকার হন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পথে ১৫-২০ জনের একটি দল পথ আটকে তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে ফেলে। স্থানীয় লোকজন আহত অবস্থায় তাঁকে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।
জহিরের ভাগ্নে ইসমাইল ও বিল্লাল হোসেন অভিযোগ করেন, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা নিয়ে জহিরের সঙ্গে মোবারক হোসাইনের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। মোবারক হোসাইন ছাত্রদলের সাবেক সদস্যসচিব। এর আগেও মোবারক তাঁর লোকজন নিয়ে জহিরের ওপর হামলা করেছিলেন। বুধবার রাতে মোবারক ও তাঁর লোকজন আড়াইহাজার থেকে এসে পূর্বপরিকল্পিতভাবে জহিরকে হত্যা করে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ তাঁদের।
আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব খোরশেদ আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘জহির যুবদলের একজন ত্যাগী নেতা ছিলেন। তাঁর বাড়ি কালাপাহাড়িয়া এলাকায় হলেও তিনি মুন্সিগঞ্জে বসবাস করতেন। তিনি জানতে পেরেছেন, ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল জহিরকে হত্যা করেছে। তিনি বলেন, ‘জহির প্রায়ই আমাকে বলতেন, ‘তাঁকে মেরে ফেলা হতে পারে। তবে কার সঙ্গে তাঁর বিরোধ ছিল, তা জানি না।’
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বারিক জানান, নিহত ব্যক্তির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।
"জহির প্রায়ই আমাকে বলতেন, ‘তাঁকে মেরে ফেলা হতে পারে’। তবে কার সঙ্গে তাঁর বিরোধ ছিল, তা জানি না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আড়াইহাজার উপজেলা, মুন্সিগঞ্জ, সোনারগাঁয়ের চরকিশোরগঞ্জ এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জহির ফকির (৪৫), মোবারক হোসাইন, খোরশেদ আলম, আবদুল বারিক, ইসমাইল হোসেন, বিল্লাল হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫-২০ জন হামলাকারী, ৪৫ বছর বয়সী জহির ফকির
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!