📌 মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর থেকে পালিয়ে কক্সবাজারে হোটেলে আশ্রয় নেয়া তিন স্কুলছাত্রীকে পুলিশ উদ্ধার করে। তারা পারিবারিক অশান্তি ও মানসিক নির্যাতনের কারণে বাড়ি ছেড়েছিল
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর থেকে পালিয়ে কক্সবাজারে অবস্থানরত তিন স্কুলছাত্রীকে পুলিশ উদ্ধার করে। তারা পারিবারিক অশান্তি ও মানসিক নির্যাতনের কারণে বাড়ি ছেড়ে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজারে আসে। পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মেনহাজুল আলম জানান, ১৪ অক্টোবর তিনজন ছাত্রী একই দিনে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর থেকে পালিয়ে কক্সবাজারে ৩ কিশোরী উদ্ধার করা হয়
- 📌 তারা পারিবারিক অশান্তি ও মানসিক নির্যাতনের কারণে বাড়ি ছেড়েছিল
- 📌 ১৬ বছর বয়সী রাঙামাটির এক কিশোরের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের সন্ধান পাওয়া যায়
- 📌 ঢাকার মিরপুরের ভুয়া ঠিকানায় হোটেল কক্ষ ভাড়া নিয়ে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়
- 📌 শনিবার রাত ৩টা ৪০ মিনিটে কক্সবাজারের গ্র্যান্ড তাজ হোটেল থেকে উদ্ধার করা হয়
📰 বিস্তারিত
মুন্সিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মেনহাজুল আলম রোববার সংবাদ সম্মেলনে জানান, ১৪ অক্টোবর সকালে তিনজন ছাত্রী আলাদা বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। তাদের মধ্যে দুজন অষ্টম শ্রেণিতে এবং একজন সপ্তম শ্রেণিতে পড়তেন। পরিবারগুলো বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান না পেয়ে ১৫ অক্টোবর শ্রীনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
তদন্তের সময় জানা যায়, একজন ছাত্রীর সাথে রাঙামাটির ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয় হয়। পুলিশ রাঙামাটির কোতোয়ালি থানায় গিয়ে ওই কিশোরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, তিন ছাত্রী চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজারে অবস্থান করছে। শনিবার রাত ৩টা ৪০ মিনিটে পুলিশ কক্সবাজারের কলাতলী এলাকার গ্র্যান্ড তাজ হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট থেকে তাদের উদ্ধার করে।
উদ্ধার হওয়া কিশোরীরা জানান, তারা বাবা-মায়ের দ্বন্দ্বে পারিবারিক অশান্তি, কঠোর অনুশাসন ও স্বাধীনতার অভাব বোধ করে বাড়ি ছেড়েছিল। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতি আকর্ষণে ঢাকা ও চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজারে আসে। সেখানে তারা নিজেদের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী পরিচয় দিয়ে ঢাকার মিরপুরের ভুয়া ঠিকানায় হোটেল কক্ষ ভাড়া নিয়ে ২০ হাজার টাকা খরচ করে। হোটেলকক্ষ ভাড়া নিতে স্থানীয় এক অটোরিকশাচালক তাদের সহযোগিতা করেন।
পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম বলেন, সঠিক সময়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় কিশোরীদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তারা স্বজনদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
"পারিবারিক অশান্তি ও মানসিক নির্যাতনের কারণে তারা বাড়ি ছেড়েছিল। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতি আকর্ষণে ঢাকা ও চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজারে আসে।" — পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মুন্সিগঞ্জ (শ্রীনগর), কক্সবাজার (কলাতলী), রাঙামাটি (কোতোয়ালি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম, তিন স্কুলছাত্রী, রাঙামাটির ১৬ বছর বয়সী কিশোর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ (কিশোরী), ২ (দিন), ৩ (টা ৪০ মিনিট), ১৪ ও ১৫ (অক্টোবর), ১৬ (বছর), ২০ (হাজার টাকা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!