📌 মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীতে প্রবাসী রবিন ঢালীর স্ত্রী লামিয়া আক্তার প্রিয়া স্বর্ণালংকার ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করার অভিযোগে রবিনের বাবা আমিরুল ঢালী আদালতে মামলা করেছেন। লামিয়ার বাবা-মা ও দ্বিতীয় স্বামীকে আসামি করা হয়েছে
মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় প্রবাসী রবিন ঢালীর স্ত্রী লামিয়া আক্তার প্রিয়া স্বর্ণালংকার, নগদ পাঁচ লাখ টাকা ও দুটি আইফোন ১৫ প্রো-ম্যাক্স নিয়ে অন্যত্র দ্বিতীয় বিয়ে করার অভিযোগে রবিনের বাবা আমিরুল ঢালী আদালতে মামলা করেছেন। এই ঘটনায় লামিয়া আক্তার প্রিয়া, তাঁর বাবা ধলু হাওলাদার, মা রেহানা বেগম এবং লামিয়ার দ্বিতীয় স্বামী মো. রাসেলকে আসামি করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীতে প্রবাসী রবিন ঢালীর স্ত্রী লামিয়া আক্তার প্রিয়া স্বর্ণালংকার ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ
- 📌 মামলায় লামিয়া আক্তার প্রিয়া, তাঁর বাবা ধলু হাওলাদার, মা রেহানা বেগম ও দ্বিতীয় স্বামী মো. রাসেলকে আসামি করা হয়েছে
- 📌 রবিনের বাবা আমিরুল ঢালী আদালতে মামলা করেছেন; সিআইডিকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে
- 📌 লামিয়া দাবি করেছেন, রবিন সংসার করতে আসেননি এবং কানাডায় নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থাও করেননি
- 📌 রবিনের দাবি, আইনগতভাবে তালাক না দিয়েই দ্বিতীয় বিয়ে করা হয়েছে এবং স্বর্ণালংকার ও টাকা নিয়ে যাওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার পাঁচগাঁও ইউনিয়নের মান্দ্রা গ্রামের আমিরুল ঢালীর ছেলে রবিন ঢালী কানাডায় প্রবাসী। তাঁর স্ত্রী লামিয়া আক্তার প্রিয়া কামারখাড়া ইউনিয়নের মালধা গ্রামের ধলু হাওলাদারের মেয়ে। ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি মুঠোফোনে বিয়ে হয় এবং হেলিকপ্টারে করে লামিয়াকে শ্বশুরবাড়িতে নেওয়া হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর দুই বছরে লামিয়ার কাছে প্রায় ৩০ লাখ ৩৩ হাজার টাকা পাঠানো হয়েছে। তবে ১৬ সেপ্টেম্বর লামিয়ার বাবা-মা রবিনের বাড়িতে বেড়াতে যান এবং পরে কাউকে জানিয়ে না চলে যান। ২১ সেপ্টেম্বর রবিনের পরিবার জানতে পারে, লামিয়া অন্য একজনকে বিয়ে করেছেন। রবিন বলেন, তিনি স্ত্রীকে কানাডায় নিয়ে যাওয়ার জন্য আইইএলটিএস করিয়েছেন এবং ভিসা প্রক্রিয়া করছিলেন। কিন্তু স্ত্রী বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর তিনি জানতে পারেন, লামিয়া অন্য একজনকে বিয়ে করেছেন।
লামিয়া আক্তার প্রিয়া অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, রবিন সংসার করতে আসতেন না এবং কানাডায় নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থাও করতে পারেননি। তাই তিনি রবিনকে তালাক দিয়ে অন্যত্র বিয়ে করেছেন। তবে স্বর্ণালংকার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। লামিয়ার দ্বিতীয় স্বামী মো. রাসেল দাবি করেছেন, লামিয়ার আগে বিয়ে হয়েছিল এবং তিনি ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী লামিয়াকে বিয়ে করেছেন।
"আমার পুত্রবধূ আমাদের বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে। তাই আমি আদালতে মামলা করেছি।"
— আমিরুল ঢালী, রবিনের বাবা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলা, পাঁচগাঁও ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রবিন ঢালী, লামিয়া আক্তার প্রিয়া, আমিরুল ঢালী, ধলু হাওলাদার, রেহানা বেগম, মো. রাসেল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ ভরি স্বর্ণালংকার, ৫ লাখ টাকা, ২টি আইফোন ১৫ প্রো-ম্যাক্স, ৩০ লাখ ৩৩ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!