📌 মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানায় ধলেশ্বরী নদীর ভাঙনকবলিত এলাকায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুম্পা ঘোষ সোমবার সরেজমিন পরিদর্শন করেন। স্থানীয়রা জানান, ভাঙনে একটি বাড়ি নদীগর্ভে চলে গেছে এবং ১৫টি বাড়ি ঝুঁকিতে রয়েছে। ইউএনও দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানায় ধলেশ্বরী নদীর ভাঙনকবলিত এলাকায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুম্পা ঘোষ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় সরেজমিন পরিদর্শন করেন। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে তিনি ভাঙনের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৮ সেপ্টেম্বর সোমবার বেলা ১১টায় মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানার কেয়াইন ইউনিয়নের বড়বর্তা গ্রামে ইউএনও রুম্পা ঘোষ সরেজমিন পরিদর্শন করেন
- 📌 স্থানীয়রা জানান, গত রোববার বিকেলে ধলেশ্বরী নদীর ভাঙনে একটি বাড়ি নদীগর্ভে চলে গেছে
- 📌 বর্তমানে ১৫টি বাড়ি ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে
- 📌 ইউএনও জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে আলোচনা করে জিও ব্যাগ ফেলার ব্যবস্থা করা হবে
📰 বিস্তারিত
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানায় ধলেশ্বরী নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভাঙনের কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, গত রোববার বিকেলে নদীর ভাঙনে একটি বাড়ি সম্পূর্ণ নদীগর্ভে চলে গেছে। এছাড়াও, বর্তমানে অন্তত ১৫টি বাড়ি ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। তারা দাবি জানিয়েছেন, দ্রুত ভাঙন রোধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ভাঙন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুম্পা ঘোষ বলেছেন, ‘ইতোমধ্যে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে আলোচনা করে জিও ব্যাগ ফেলার ব্যবস্থা করা হবে। কীভাবে দ্রুততম সময়ে ভাঙন ঠেকানো যায়, সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
"ইতোমধ্যে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা হয়েছে। দ্রুত ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলার ব্যবস্থা করা হবে। কীভাবে দ্রুততম সময়ে ভাঙন ঠেকানো যায়, সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানার কেয়াইন ইউনিয়নের বড়বর্তা গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুম্পা ঘোষ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫টি বাড়ি ঝুঁকিতে, ১টি বাড়ি নদীগর্ভে চলে গেছে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!