📌 মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন পশুর হাটে প্রতি হাজারে ৫০ থেকে ৬০ টাকা হাসিল আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই বাড়তি খরচের কারণে চাপে পড়ছেন। প্রশাসনের তদারকির অভাবের কারণে ইজারাদাররা অতিরিক্ত হাসিল আদায় করছেন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।
মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন পশুর হাটে প্রতি হাজারে ৫০ থেকে ৬০ টাকা হাসিল আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই এই অতিরিক্ত খরচের কারণে চাপে পড়ছেন। প্রশাসনের তদারকির অভাবের কারণে ইজারাদাররা সরকারি নির্ধারিত হারের চেয়ে বেশি হাসিল আদায় করছেন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর পশুর হাটে ৫০ হাজার টাকার গরু কিনে সোহান আহমেদকে প্রতি হাজারে ৫০ টাকা হাসিল দিতে হয়েছে, যা মোট ২ হাজার ৫০০ টাকা।
- 📌 জেলার বিভিন্ন পশুর হাটে (ব্রাহ্মণবাজার, টেংরা, আদমপুর, মুন্সীবাজার, ভৈরববাজার, দিঘিরপাড়, জুড়ী, বড়লেখা, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার সদর) প্রতি হাজারে ৫০ থেকে ৬০ টাকা হাসিল আদায় করা হচ্ছে, যা লাখে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়িয়ে দিচ্ছে।
- 📌 শমশেরনগর বাজার থেকে ২৪ হাজার টাকার গরু কেনার সময় আলতাফুর রহমানকে প্রতি হাজারে ৫০ টাকা হাসিল দিতে হয়েছে, মোট ১ হাজার ২০০ টাকা।
- 📌 কুলাউড়ার ব্রাহ্মণবাজার পশুর হাটে দেড় লাখ টাকার মহিষ কেনার সময় আনোয়ার মিয়া ৭ হাজার ৫০০ টাকা হাসিল দিতে বাধ্য হন।
- 📌 বিক্রেতারা দাবি করছেন, বাড়তি হাসিলের কারণে তারা প্রত্যাশিত দাম পাচ্ছেন না। ক্রেতারা বাজেটের মধ্যে থাকতে গরুর দাম কমানোর চেষ্টা করলে বিক্রেতাদের লোকসান হয়।
- 📌 ইজারাদাররা দাবি করেন, বাজারের ইজারামূল্য প্রায় এক কোটি টাকা এবং প্রতি হাজারে ৫০ টাকা হাসিল নেওয়া হচ্ছে। তারা বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে এই হার বেশি নয়।
- 📌 প্রশাসনের কর্মকর্তারা অস্পষ্টতা প্রকাশ করলেও, অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।
📰 বিস্তারিত
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর পশুর হাটে গরু কেনার সময় ক্রেতাদের প্রতি হাজারে ৫০ থেকে ৬০ টাকা হাসিল আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। সোহান আহমেদ ৫০ হাজার টাকায় একটি গরু কিনলেও, প্রতি হাজারে ৫০ টাকা হাসিলের কারণে মোট ২ হাজার ৫০০ টাকা অতিরিক্ত খরচে পড়েন। তিনি বলেন, “এই অতিরিক্ত খরচ আমার নির্ধারিত বাজেট ছাড়িয়ে গেছে। প্রশাসনের তদারকির অভাবের কারণে ইজারাদাররা অতিরিক্ত হাসিল আদায় করছেন।”
জেলার বিভিন্ন পশুর হাটে একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে। ব্রাহ্মণবাজার, টেংরা, আদমপুর, মুন্সীবাজার, ভৈরববাজার, দিঘিরপাড়, জুড়ী, বড়লেখা, শ্রীমঙ্গল এবং মৌলভীবাজার সদর উপজেলার হাটগুলোতে প্রতি হাজারে ৫০ থেকে ৬০ টাকা হাসিল আদায় করা হচ্ছে। ক্রেতারা বলছেন, এই অতিরিক্ত খরচের কারণে তারা বাজেটের মধ্যে পশু কিনতে পারছেন না। অন্যদিকে, বিক্রেতারা দাবি করছেন, বাড়তি হাসিলের কারণে তারা প্রত্যাশিত দাম পাচ্ছেন না।
শমশেরনগর বাজার থেকে ২৪ হাজার টাকার গরু কেনার সময় আলতাফুর রহমানকে প্রতি হাজারে ৫০ টাকা হাসিল দিতে হয়েছে, মোট ১ হাজার ২০০ টাকা। তিনি বলেন, “প্রতি হাজারে ৫০ টাকা হাসিল নেওয়া হয়েছে। এতে আমার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হলো।” অন্যদিকে, কুলাউড়ার ব্রাহ্মণবাজার পশুর হাটে দেড় লাখ টাকার মহিষ কেনার সময় আনোয়ার মিয়া ৭ হাজার ৫০০ টাকা হাসিল দিতে বাধ্য হন। তিনি দাবি করেন, “হাটে অন্য ক্রেতাদের কাছ থেকেও একই হারে টাকা আদায় করা হচ্ছে।”
"প্রতি হাজারে ৫০ টাকা হাসিল নেওয়া হয়েছে। এতে আমার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হলো।" — আলতাফুর রহমান, শমশেরনগর বাজার
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মৌলভীবাজার জেলার শমশেরনগর, ব্রাহ্মণবাজার, টেংরা, আদমপুর, মুন্সীবাজার, ভৈরববাজার, দিঘিরপাড়, জুড়ী, বড়লেখা, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার সদর
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: সোহান আহমেদ, আলতাফুর রহমান, আনোয়ার মিয়া, কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা আক্তার, কমলগঞ্জ ইউএনও সন্দ্বীপ তালুকদার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোছা. শাহিনা আক্তার, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রুবেল মাহমুদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রতি হাজারে ৫০-৬০ টাকা হাসিল, ৫০ হাজার টাকার গরু, ২ হাজার ৫০০ টাকা অতিরিক্ত খরচ, ২৪ হাজার টাকার গরু, ১ হাজার ২০০ টাকা হাসিল, দেড় লাখ টাকার মহিষ, ৭ হাজার ৫০০ টাকা হাসিল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!