📌 যশোরের কেশবপুরের মন্টু নামের এক পাগল ছেলে তার স্বপ্নের ছাগল ছানা সোনা ও মনা হারিয়ে ফেলে। তার মা-বাবা রাহেলা ও রফিক মিয়া তাকে শান্ত করার চেষ্টা করছেন
যশোরের কেশবপুর উপজেলার বাজিতপুর গ্রামের মন্টু নামের এক পাগল ছেলে তার স্বপ্নের ছাগল ছানা হারিয়ে ফেলেছে। মন্টু তার স্বপ্নের গাড়ি কিনতে চেয়েছিলো, কিন্তু দুঃখের বিষয়, তার ছাগল ছানা সোনা ও মনা শিয়ালের হাত থেকে বাঁচতে পারেনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মন্টু (১২) তার স্বপ্নের ধাড়ি ছাগল কিনে সোনা ও মনা নামের দুটি ছানা পেয়েছিলেন, যাদের যত্ন নেওয়ার স্বপ্ন ছিলো
- 📌 শিয়ালের হাত থেকে বাঁচাতে না পারায় মন্টু তার ছাগল ছানা দুটো হারিয়ে ফেলে
- 📌 মন্টুর বাবা-মা রফিক মিয়া ও রাহেলা তাকে শান্ত করার চেষ্টা করছেন, বলছেন আল্লাহর ইচ্ছা অনুযায়ী
- 📌 মন্টু তার হারানো ছাগল ছানা সোনা ও মনার জন্য গাড়ি কিনতে চেয়েছিলেন, যা তার স্বপ্নের অংশ ছিলো
📰 বিস্তারিত
মন্টু, যাকে গ্রামের লোকজন "পাগল মন্টু" বলে ডাকত, তার বয়স মাত্র ১২ বছর। কিন্তু তার মনটা ছিলো ছোট ছেলেদের মতো। মন্টু তার মা-বাবা রাহেলা ও রফিক মিয়ার কাছে ধাড়ি ছাগল কিনে চরাবার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। তার স্বপ্ন ছিলো ছাগল ছানা পেলে তাদের বিক্রি করে গাড়ি কিনে গ্রামের অন্যান্য মানুষের মতো গাড়ি চালানো।
মন্টুর বাবা-মা তার স্বপ্নকে সত্য করার চেষ্টা করলেন। তারা মন্টুর জন্য একটি ধাড়ি ছাগল কিনে আনলেন। মন্টু যত্নসহকারে ছাগলটিকে চরাবার পর, একদিন তার পেট থেকে দুটি ছানা জন্মগ্রহণ করলো। মন্টু তাদের নাম দিলো সোনা ও মনা। সে তাদেরকে আদর করে বড়ো করতো।
কিন্তু একদিন দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটে। মন্টু তার ছাগল ছানা দুটোকে কাঁঠাল বাগানে নিয়ে গেলে শিয়াল তাদের ধরে নিয়ে যায়। মন্টু তাদের বাঁচাতে না পারায় দুঃখে ভেঙ্গে পড়ে। তার হারানো ছাগল ছানা সোনা ও মনা তার স্বপ্নের গাড়ি কিনতে সাহায্য করতো।
"আমি ধাড়ি ছাগলটাকে আমাদের গ্রামের বিলের পাশে সবুজ ঘাসের মাঠে চরাবো। কাঁঠাল গাছ থেকে পাতা ছিড়ে দেবো। অনেক যত্ন করবো। তারপর ধাড়ির পেটে বাচ্চা হলে, আমি তাদের নাম রাখবো। সেই বাচ্চা যখন বড় হবে, তখন তা বিক্রি করলে অনেক টাকা হবে। আমি সেই টাকা দিয়ে গাড়ি কিনবো।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যশোর, কেশবপুর উপজেলা, বাজিতপুর গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মন্টু (১২), রফিক মিয়া, রাহেলা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ বছর (মন্টুর বয়স), ২টি ছাগল ছানা (সোনা ও মনা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!