📌 দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী নাটোরের আব্দুল মমিন ১০ বছর ধরে একাকী দোকান চালিয়ে পরিবারকে বাঁচাতে চেষ্টা করছেন। দৃষ্টির সীমাবদ্ধতা ও আর্থিক সংকটের মুখে তিনি স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। স্থানীয়দের সহায়তায় দোকান সংস্কার ও ব্যবসা বাড়ানোর আশা করছেন তিনি
দৃষ্টিহীন হলেও নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন নিয়ে লড়াই করছেন নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার কাটাশকোল গ্রামের আব্দুল মমিন। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও তিনি ১০ বছর ধরে একাকী দোকান চালিয়ে পরিবারের খরচ মেটাতে চেষ্টা করছেন। দোকানে মোবাইল রিচার্জ, ব্যাংকিং সেবা ও বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের সুবিধা দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন মমিন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নাটোরের কাটাশকোল গ্রামের দৃষ্টিহীন আব্দুল মমিন ১০ বছর ধরে একাকী দোকান চালিয়ে পরিবারকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন
- 📌 দোকানের আয় যথেষ্ট না হওয়ায় ছয় সদস্যের পরিবারের খরচ মেটাতে কঠিন সময় কাটাচ্ছেন তিনি
- 📌 দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিতার সুযোগ নিয়ে কেউ টাকা না দিলে চলে যাওয়ায় বারবার আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন মমিন
- 📌 দোকান সংস্কার ও ব্যবসা বাড়ানোর আশায় তিনি স্থানীয়দের সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন
- 📌 মমিনের আট বছর বয়সী একমাত্র ছেলে মাদরাসায় পড়াশোনা করছে, সন্তানের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চান তিনি
📰 বিস্তারিত
আব্দুল মমিনের জীবনযাপন দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও তিনি নিজের শ্রমে পরিবারকে বাঁচাতে চেষ্টা করছেন। বড়াইগ্রাম উপজেলার জোয়াড়ী ইউনিয়নের কাটাশকোল গ্রামের এই দৃষ্টিহীন ব্যক্তি প্রায় ১০ বছর ধরে একাকী দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। দোকানে মোবাইল রিচার্জ, মোবাইল ব্যাংকিং সেবা ও বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের সুবিধা দিয়ে তিনি পরিবারের খরচ মেটাতে চেষ্টা করছেন।
তবে দিনের শেষে হিসাব মেলাতে গিয়ে মমিনের মুখে পড়ে আর্থিক সংকট। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিতার সুযোগ নিয়ে কেউ কেউ সেবা নেওয়ার পর টাকা না দিলে চলে যান বলে তিনি অভিযোগ করেন। এর ফলে বারবার আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন তিনি।
মমিনের বাবা বৃদ্ধ এবং পেশায় কৃষক। তার আট বছর বয়সী একমাত্র ছেলে স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করছে। সীমিত আয় ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও সন্তানের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চান তিনি। সংসারের টানাপোড়েন থাকলেও নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন দেখেন মমিন। তার ইচ্ছা, দোকানটি সংস্কার করে সেখানে নতুন পণ্য ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলবেন। ব্যবসার পরিধি বাড়িয়ে আয় কিছুটা বাড়াতে পারলে পরিবারের আর্থিক সংকট কমবে বলে আশা তার।
বর্তমানে দোকানটির অবস্থা জরাজীর্ণ। অর্থের অভাবে সংস্কার বা নতুন মালামাল তোলার সামর্থ্য নেই মমিনের। তাই নিজের শ্রমে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে গেলেও প্রয়োজনীয় পুঁজি না থাকায় বারবার বাধার মুখে পড়ছেন তিনি।
"কারও কাছে হাত পেতে নয়, নিজের পরিশ্রমে পরিবার নিয়ে স্বাভাবিকভাবে বাঁচতে চান তিনি। দোকান সংস্কার করে ব্যবসা বড় করতে পারলে সংসারের অভাব দূর হবে এবং সন্তানের পড়াশোনাও ভালোভাবে চালিয়ে যেতে পারবেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কাটাশকোল গ্রাম, জোয়াড়ী ইউনিয়ন, বড়াইগ্রাম উপজেলা, নাটোর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল মমিন (দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ বছর (দোকান চালানোর সময়কাল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!