📅 ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মধুমতির ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন ৫০টি বাড়ি, ২৫০ একর জমি ও ২৫০ পরিবার ঝুঁকিতে নড়াইলের লোহাগড়া-কোটাকোল

মধুমতির ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন ৫০টি বাড়ি, ২৫০ একর জমি ও ২৫০ পরিবার ঝুঁকিতে নড়াইলের লোহাগড়া-কোটাকোল

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মধুমতি নদীর ভাঙনে নড়াইলের লোহাগড়া ও কোটাকোল ইউনিয়নের ৫০টি বাড়ি, ২৫০ একর ফসলি জমি ও দুই কিলোমিটার সড়ক নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ২৫০টি পরিবারের বাসস্থান ঝুঁকিতে পড়েছে। অবৈধ বালু উত্তোলনকে দায়ী করে ক্ষতিগ্রস্তরা কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

মধুমতি নদীর ভয়াবহ ভাঙনে নড়াইলের লোহাগড়া ও কোটাকোল ইউনিয়নের শত শত পরিবারের জীবন-জীবিকা বিপন্ন হয়ে পড়েছে। গত দুই সপ্তাহে নদীর তীব্র ভাঙনে ৫০টি পরিবারের বাড়ি, ২৫০ একর ফসলি জমি, দুই কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক এবং একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে ঝুঁকিতে পড়েছে আরও প্রায় ২৫০টি পরিবার। স্থানীয়রা অবৈধ বালু উত্তোলনকে দায়ী করে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মধুমতি নদীর ভাঙনে নড়াইলের লোহাগড়া ও কোটাকোল ইউনিয়নের ৫০টি পরিবারের বাড়ি, ২৫০ একর জমি ও দুই কিলোমিটার সড়ক নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে
  • 📌 ঝুঁকিতে পড়েছে ২৫০টি পরিবার, তাদের মধ্যে রয়েছে ছাগলছিড়া গ্রামের মিন্টু মোল্যা, ইসলাম ফকির, আলিম মোল্যা, আহাদ মোল্যা, নজরুল শেখ, আমিনুর আলী, হাই মোল্যা ও রসুল মোল্যার পরিবার
  • 📌 কোটাকোল ইউনিয়নের রায়পাশা গ্রামের মির্জা খাঁ, রেজন খাঁ, রহিমন বেগম, খলিল কাজী, শাহিন শিকদার, জাফর খাঁ ও মান্নান মোল্যাসহ অনেকের বাড়ি নদীগর্ভে চলে গেছে
  • 📌 স্থানীয়রা দাবি করেছেন, অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে এবং নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি
  • 📌 লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেছেন, ইজারাকৃত বালুমহালের নির্ধারিত সীমানার বাইরে বালু উত্তোলন করলে ইজারা বাতিল করা হবে

📰 বিস্তারিত

১৩ অক্টোবর মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, লোহাগড়া ইউনিয়নের ছাগলছিড়া এবং কোটাকোল ইউনিয়নের রায়পাশা গ্রামে নদীভাঙনের চিহ্ন স্পষ্ট। নদীর পাড়ে বসবাসকারী পরিবারগুলো ঘরবাড়ি ও জমিজমা হারিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, একসময় এসব এলাকায় পাঁচ শতাধিক পরিবারের বসতবাড়ি ছিল। মধুমতির ভাঙনে অনেকের ঘরবাড়ি, পৈতৃক ভিটা ও পূর্বপুরুষের কবর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

ছাগলছিড়া গ্রামের মিন্টু মোল্যা বলেছেন, ‘রাতের বেলা ভাঙন সবচেয়ে ভয়াবহ রূপ নেয়। তখন কিছুই দেখা যায় না। কোথায় যাব, কী করব, কিছুই বুঝে উঠতে পারি না। আমরা গরিব মানুষ। অন্য জায়গায় গিয়ে ঘর তোলার মতো টাকাপয়সাও নেই। নদীভাঙন রোধে কেউ আমাদের খোঁজখবর রাখে না।’

রায়পাশা গ্রামের রহিমন বেগম বলেছেন, ‘আমাদের কয়েক বিঘা জমি মধুমতি নদীতে চলে গেছে। এর আগে দুইবার বাড়ি ভেঙেছে। অনেক কষ্ট করে নতুন বাড়ি করেছিলাম। এখন সেই বাড়িও ভাঙনের মুখে পড়েছে। নদীভাঙনে এলাকার মানুষ নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে।’

"নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে লোহাগড়া ইউনিয়নের ছাগলছিড়া গ্রামের মিন্টু মোল্যা, ইসলাম ফকির, আলিম মোল্যা, আহাদ মোল্যা, নজরুল শেখ, আমিনুর আলী, হাই মোল্যা ও রসুল মোল্যার পরিবার রয়েছে। অন্যদিকে কোটাকোল ইউনিয়নের রায়পাশা গ্রামের মির্জা খাঁ, রেজন খাঁ, রহিমন বেগম, খলিল কাজী, শাহিন শিকদার, জাফর খাঁ ও মান্নান মোল্যাসহ অনেকের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: লোহাগড়া উপজেলা ও কোটাকোল ইউনিয়ন, নড়াইল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিন্টু মোল্যা, রহিমন বেগম, লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মুস্তাফিজুর রহমান, নড়াইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অভিজিৎ কুমার সাহা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০টি বাড়ি, ২৫০ একর জমি, ২৫০টি পরিবার ঝুঁকিতে, দুই কিলোমিটার সড়ক

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖