📅 ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৫৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মহিপুরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে নির্যাতন: ছাত্রদল নেতা ‘আব্বা’ ডাকেও রেহাই পাননি

মহিপুরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে নির্যাতন: ছাত্রদল নেতা ‘আব্বা’ ডাকেও রেহাই পাননি

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পটুয়াখালীর মহিপুরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে একটি ছাত্রদল নেতাকে মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন। ১৭ সেপ্টেম্বর ঘটনায় জড়িত ১০-১৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন ফারুক, যিনি ‘আব্বা’ ডাকেও রেহাই পাননি। সিসিটিভি ফুটেজে ঘটনার প্রমাণ থাকলেও অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করছেন

পটুয়াখালীর মহিপুরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে একটি ছাত্রদল নেতাকে মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে মহিপুর থানা সদর ইউনিয়নের ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান ফারুক জানান, গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আমিরুল ইসলাম ফাহিমের নেতৃত্বে নির্যাতন চালানো হয়, যেখানে ‘আব্বা’ ডাকেও রেহাই পাননি ফারুক।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মেহেদী হাসান ফারুক (ছাত্রদল নেতা) অভিযোগ করেছেন, ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ১০-১৫ জন তাকে মারধর ও নির্যাতন করে।
  • 📌 ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় মহিপুর থেকে তাকে কলাপাড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে রাত ১টা পর্যন্ত নির্যাতন চালানো হয়।
  • 📌 ‘আব্বা’ ডাকেও রেহাই পাননি ফারুক, যিনি বলেছিলেন, ‘আমার বাবা নেই, আপনারাই আমার বাবা’।
  • 📌 সিসিটিভি ফুটেজে ঘটনার প্রমাণ থাকলেও অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করছেন।
  • 📌 ২৬ সেপ্টেম্বর আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বরিশালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।
  • 📌 মহিপুর ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা কামরুল ইসলাম শাওন ও রবিউল ইসলাম তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

📰 বিস্তারিত

মহিপুর থানা সদর ইউনিয়নের ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান ফারুক মঙ্গলবার দুপুরে কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ তুলেন। তিনি বলেন, একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে সাক্ষী হওয়াকে কেন্দ্র করে তার ওপর এ হামলা চালানো হয়। ফারুক জানান, গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় মহিপুর থেকে সাদা পোশাকে থাকা ১০-১৫ জন ব্যক্তি নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে তাকে তুলে নিয়ে যান। তাদের হাতে ওয়াকিটকি ছিল। তাকে মোটরসাইকেলে বসিয়ে কলাপাড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে আমিরুল ইসলাম ফাহিমের নেতৃত্বে তাকে দফায় দফায় মারধর ও নির্যাতন করা হয়।

ফারুক বলেন, রাত ১টা পর্যন্ত তাকে নির্যাতন করা হয়েছে। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি তাদের পা ধরে আব্বা বলে ডেকেছি। বলেছি আমার বাবা নেই, আপনারাই আমার বাবা। আমার মা অসুস্থ—এ ঘটনা জানলে তিনি মারা যেতে পারেন।’ তারপরও তারা তাকে ছাড়েনি। পরে তার দুই বন্ধু কামরুল ইসলাম শাওন ও রবিউল ইসলাম তাকে উদ্ধার করে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। দীর্ঘ ১৫ দিন চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার পর ২৬ সেপ্টেম্বর আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বরিশালে নেওয়া হয়।

ফারুক আরও জানান, ঘটনার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। বর্তমানে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় রয়েছেন।

"একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে কোনো বিয়ের অনুষ্ঠানে সাক্ষী হওয়া অপরাধ হতে পারে না। ডিবি পরিচয় দিয়ে কাউকে তুলে নেওয়া এবং নির্যাতন করা গুরুতর অপরাধ। আমরা এমন বর্বরতার অবসান চাই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মহিপুর, পটুয়াখালী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেহেদী হাসান ফারুক (ছাত্রদল নেতা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০-১৫ জন অভিযুক্ত, ১৭ সেপ্টেম্বর, রাত ৮টা-১টা, ১৫ দিন চিকিৎসা, ২৬ সেপ্টেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖