📌 ঢাকার মোহাম্মদপুরে শ্যালিকের বাসায় দুলাভাইয়ের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহতের বড় ভাই মামুন খান দাবি করেন, তানিম খানকে মারধর করে হত্যা করা হয়েছে। অন্যদিকে স্ত্রী রাবেয়া খাতুন বলেন, স্বামী নিজে গলায় ফাঁস দিয়েছিলেন। ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় রয়েছে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে
ঢাকার মোহাম্মদপুরে শ্যালিকের বাসায় দুলাভাইয়ের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পরিবারের সদস্যরা দাবি করছেন, নিহত তানিম খানকে মারধর করে হত্যা করা হয়েছে। তবে স্ত্রী রাবেয়া খাতুনের দাবি, স্বামী নিজেই গলায় ফাঁস দিয়েছিলেন। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মোহাম্মদপুরে শ্যালিকের বাসায় ২১ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টায় দুলাভাইয়ের লাশ উদ্ধার করা হয়।
- 📌 নিহতের বড় ভাই মামুন খান দাবি করেন, তানিম খানকে মারধর করে হত্যা করা হয়েছে।
- 📌 ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর বিয়ে হওয়া রাবেয়া খাতুনের সাথে তানিমের পূর্ববিয়ে সম্পর্কে পরিবারের মধ্যে ঝগড়া চলত।
- 📌 রাবেয়া খাতুন দাবি করেন, স্বামী নিজে বাথরুমে গিয়ে গলায় ফাঁস দিয়েছিলেন।
- 📌 মোহাম্মদপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মামুন খান। পুলিশ ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় রয়েছে।
- 📌 তানিমের শ্বশুরবাড়ির লোকজন পরিবারকে হুমকি দিচ্ছেন, দাবি করেছেন সুষ্ঠু তদন্তের।
📰 বিস্তারিত
মোহাম্মদপুরের শ্যালিকের বাসায় ২১ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টায় দুলাভাইয়ের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত ব্যক্তির নাম মো. তানিম খান। ঘটনায় তার বড় ভাই মো. মামুন খান অভিযোগ করেছেন, তানিমকে মারধর করে হত্যা করা হয়েছে। মামুন বলেন, বিয়ের পর জানতে পারা যায় রাবেয়া খাতুনের পূর্ববিয়ে সম্পর্কে। এরপর পরিবারের মধ্যে ঝগড়া চলত। সর্বশেষ বুধবার রাত রায়েরবাজারে রাবেয়ার বোনের বাসায় গিয়ে তানিমের স্ত্রীর সাথে মারামারি হয়। পরদিন সকালে মোবাইল ফোনে তানিমের মৃত্যুর খবর পান পরিবার। ঘটনাস্থলে গিয়ে মামুন শরীরে ও ঘাড়ে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান।
অন্যদিকে, নিহতের স্ত্রী রাবেয়া খাতুন দাবি করেন, রাতে ঝগড়ার পর সবাই ঘুমিয়ে পড়েন। পরে স্বামী বাথরুমে গিয়ে গলায় ফাঁস দেন। দরজা ভেঙে তাঁকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবীর জানান, তানিমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। পরিবার দাবি করছেন, শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাদের হুমকি দিচ্ছেন এবং সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
"২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর আমাদের বিয়ে হয়। পরে জানতে পারি রাবেয়ার আগে বিয়ে হয়েছিল। এরপর থেকে ঝগড়া চলত। সর্বশেষ বুধবার রাত রায়েরবাজারে মারামারি হয়। পরদিন আমি জানতে পারি আমার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মোহাম্মদপুর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মামুন খান, মো. তানিম খান, রাবেয়া খাতুন, হুমায়ুন কবীর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ অক্টোবর ২০২৫, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১১ টা সাড়ে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!