📌 মোহাম্মদপুরে জমি দখলের চেষ্টায় এবং আদাবরে বাড়িতে হামলায় পুলিশ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। মোহাম্মদপুরে ৩৫ কাঠা জমিতে দখল চেষ্টায় ৮ জন এবং আদাবরে বাড়িতে হামলায় ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়
মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যানে জমি দখলের চেষ্টা এবং আদাবরের শ্যামলী হাউজিং এলাকায় বাড়িতে হামলায় পুলিশের তৎপরতায় ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার জুয়েল রানা জানিয়েছেন, গত রোববার অভিযানে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মোহাম্মদপুরে জমি দখলের চেষ্টায় ৮ জন গ্রেপ্তার
- 📌 আদাবরে বাড়িতে হামলায় ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযান
- 📌 ৩৫ কাঠা জমিতে দখল চেষ্টায় ১৫০-২০০ জন লোক জড়িত
- 📌 বাড়িতে হামলাকারীরা টাকা দাবি ও সিসিটিভি ভাঙচুর করে
📰 বিস্তারিত
মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যানে ৩৫ কাঠা জমি দখলের চেষ্টায় ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। স্থানীয় চেয়ারম্যান মো. আলম হোসেনের কাছ থেকে ২০০৪ সালে জমিটি কিনে নেন হুমায়ুন নামে এক ব্যক্তি। জমিতে প্লট ও মার্কেট তৈরি করা হচ্ছিল এবং ২৯ জনের কাছে শেয়ার বিক্রি করা হয়েছিল। তবে ৫ আগস্ট থেকে আলম হোসেন পলাতক হয়ে যান। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জনি ও রেজাউলের নেতৃত্বে ১৫০ থেকে ২০০ জন লোক জমিতে প্রবেশ করে পুরোনো বেড়া ভেঙে নতুন করে বেড়া দিয়ে দখল চেষ্টা করে। উভয় পক্ষ জমিটির মালিকানা নিয়ে নিজ নিজ কাগজপত্রের দাবি করছে।
অদ্য শনিবার সকাল ৬টায় আদাবরের শ্যামলী হাউজিংয়ের একটি আটতলা বাড়িতে ১৫ থেকে ২০ জন হামলাকারী হামলা চালায়। বাড়ির বাসিন্দাদের বলা হয় টাকা দাবি করে বাড়ি থেকে বের হওয়ার জন্য। হামলাকারীরা মূল ফটক খুলে চাপাতি ও রামদা দিয়ে গেটে কোপানো এবং সিসিটিভি ক্যামেরা ও জানালার কাচ ভাঙচুর করে। ইটের টুকরা ছুড়ে দ্বিতীয় তলার আরও দুটি জানালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
"জনি ও রেজাউলের নেতৃত্বে ১৫০ থেকে ২০০ জন লোক জমিতে প্রবেশ করে পুরোনো বেড়া ভেঙে নতুন করে বেড়া দিয়ে দখল চেষ্টা করে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মোহাম্মদপুর (চাঁদ উদ্যান), আদাবর (শ্যামলী হাউজিং), ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার জুয়েল রানা, চেয়ারম্যান মো. আলম হোসেন, হুমায়ুন, জনি, রেজাউল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ জন গ্রেপ্তার, ৩৫ কাঠা জমি, ২৯ জন শেয়ারধারক, ১৫০-২০০ জন লোক জড়িত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!