📌 মোহাম্মদপুরের নবীনগর হাউজিংয়ে নির্মাণকাজে আড়াই কোটি টাকা চাঁদা দাবি ও মারধর-ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মাইনমুনা কনস্ট্রাকশনের স্বত্বাধিকারী মো. কাউসার রহমান মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ২৫-৩০ জন আসামির নাম উল্লেখ করা হয়েছে
মোহাম্মদপুরের নবীনগর হাউজিংয়ে নির্মাণকাজে আড়াই কোটি টাকা চাঁদা দাবি ও মারধর-ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মাইনমুনা কনস্ট্রাকশনের স্বত্বাধিকারী মো. কাউসার রহমান মোহাম্মদপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। নির্মাণকাজ বন্ধের চাপ ও ভাড়াটিয়ার বাসায় সিসিটিভি ক্যামেরার ডিভাইস লুটের অভিযোগও উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মোহাম্মদপুরের নবীনগর হাউজিংয়ে ৬০ ও ৬২ নম্বর প্লটে নির্মাণকাজে আড়াই কোটি টাকা চাঁদা দাবি ও মারধর-ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে মামলা দায়ের
- 📌 মামলায় মো. ইমরান কাজলকে মূল হোতা হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে; ২৫-৩০ জন অজ্ঞাতনামা আসামির নামও উল্লেখ করা হয়েছে
- 📌 নির্মাণকাজ শুরু করতে গেলে চাঁদা না দিলে প্লট ছেড়ে দেওয়ার চাপ দেওয়া হয়; মালিকপক্ষ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে প্রকল্পের সরঞ্জাম ভাঙচুর ও ক্ষতিসাধন
- 📌 ভাড়াটিয়ার বাসায় সিসিটিভি ক্যামেরার ডিভাইস লুট ও মারধর-নগদ টাকা লুটের অভিযোগ
- 📌 মামলায় দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৪৩, ৪৪৭, ৪২৭, ৩৮৫, ৩২৩ ও ৫০৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
মোহাম্মদপুরের নবীনগর হাউজিংয়ে নির্মাণকাজে আড়াই কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মাইনমুনা কনস্ট্রাকশনের স্বত্বাধিকারী মো. কাউসার রহমান মোহাম্মদপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। তিনি জানান, গত ৩ অক্টোবর থেকে নির্মাণকাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। নির্মাণকাজ শুরু করতে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন চাঁদা দাবি করে কাজ বন্ধ করে দেন। চাঁদা না দিলে প্লট ছেড়ে দেওয়ার চাপ দেওয়া হয়। মালিকপক্ষ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হামলা চালিয়ে প্রকল্পের সরঞ্জাম ও জিনিসপত্রের ক্ষতি করা হয়।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ৬ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১৩ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে মোহাম্মদপুর থানার নবীনগর হাউজিংয়ের ১১ নম্বর সড়কের ৬০ ও ৬২ নম্বর প্লটে আসামিরা দলবদ্ধভাবে চাঁদা দাবি করে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এছাড়া ভাড়াটিয়ার বাসায় সিসিটিভি ক্যামেরার ডিভাইস লুট ও মারধর-নগদ টাকা লুটের অভিযোগও করা হয়েছে।
মামলার বাদী মো. কাউসার রহমান জানান, প্লটটির মালিক হালিমা আক্তার। তিনি নির্মাণকাজের ঠিকাদারি দায়িত্ব পালন করছেন। নির্মাণকাজে সহযোগিতা করার জন্য ঠিকাদার ও হামলায় আহত দাবি করা মো. সুজায়েত মোল্লা বলেন, তিনি একটি কাজের জন্য ফাইল জমা দিতে গেলে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা অতর্কিত হামলা চালায়। তিনি বলেন, “কাগজপত্র ঠিক থাকলে কেন চাঁদা দিতে হবে?”
"গত ৩ অক্টোবর থেকে এ ঘটনার সূত্রপাত। নির্মাণকাজ শুরু করতে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন কাজ বন্ধ করে দেন। পরে কাজ বন্ধের কারণ জানতে চাইলে আড়াই কোটি টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। মালিকপক্ষ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হামলা চালিয়ে প্রকল্পের বিভিন্ন সরঞ্জাম ও জিনিসপত্রের ক্ষতি করা হয়।"
মোহাম্মদপুর থানার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আশরাফ হোসেন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। তিনি জানান, মামলার কাগজপত্র হাতে পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মোহাম্মদপুর, নবীনগর হাউজিং, ৬০ ও ৬২ নম্বর প্লট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. কাউসার রহমান, মো. ইমরান কাজল, মো. সুজায়েত মোল্লা, হালিমা আক্তার, মো. আশরাফ হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: আড়াই কোটি টাকা, ২৫-৩০ জন আসামি, ৩ অক্টোবর, ৬ অক্টোবর, ১৩ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!