📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মিরপুরে পুলিশ-পোশাকশ্রমিক সংঘর্ষে টিয়ারগ্যাস ও লাঠিচার্জ, পিকআপে আগুন: ৩০ হাজার টাকার দাবিতে সড়ক অবরোধ

মিরপুরে পুলিশ-পোশাকশ্রমিক সংঘর্ষে টিয়ারগ্যাস ও লাঠিচার্জ, পিকআপে আগুন: ৩০ হাজার টাকার দাবিতে সড়ক অবরোধ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মিরপুরে পোশাকশ্রমিকরা ৩০ হাজার টাকার ন্যূনতম মজুরি দাবিতে সড়ক অবরোধ করলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে টিয়ারশেল-লাঠিচার্জ ও পিকআপে আগুন দেওয়া হয়। আন্দোলনকারীদের ধাওয়া দিয়ে সড়ক ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়

মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ, লাঠিচার্জ এবং পুলিশের পিকআপে আগুন দেওয়া হয়। ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে সড়ক অবরোধ করা শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। আজ রোববার সকাল সাড়ে ১১টায় ঘটনাটি ঘটে মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৩০ হাজার টাকার ন্যূনতম মজুরি দাবিতে মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরে সড়ক অবরোধ করে পোশাকশ্রমিকরা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হন।
  • 📌 পুলিশের পিকআপে আগুন দেওয়া হয় এবং শ্রমিক-পুলিশের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
  • 📌 টিয়ারশেল ও লাঠিচার্জ করার পর শ্রমিকেরা ছত্রভঙ্গ হয়ে মিরপুর ২ ও পল্লবী এলাকায় ছড়িয়ে পড়েন।
  • 📌 পুলিশের দাবি: কোনো লাঠিচার্জ বা মারামারি হয়নি, শুধু সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়। তবে ঘটনাস্থলে ইটপাটকেল নিক্ষেপের প্রমাণ পাওয়া যায়।
  • 📌 আন্দোলনকারীরা দাবি করেন, সরকার এখনো কোনো ব্যবস্থা নেনি।

📰 বিস্তারিত

মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরে আজ রোববার সকাল আটটায় পোশাকশ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। পুলিশ প্রথমে শ্রমিকদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানায়। কিন্তু শ্রমিকরা সড়ক ছাড়তে রাজি না হলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। এ সময় পুলিশ পোশাকশ্রমিকদের ওপর লাঠিচার্জ করলে শ্রমিকেরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পুলিশ টিয়ার শেল নিক্ষেপ করলে শ্রমিকেরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। পরে একদল শ্রমিক মিরপুর ২ নম্বরের দিকে এবং আরেক দল পল্লবীর দিকে চলে যান।

আন্দোলনে অংশ নেওয়া শ্রমিক তাজুল ইসলাম বলেন, ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে তাঁরা গত কয়েক দিন ধরে আন্দোলন করছেন। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এ কারণে তাঁরা প্রতিদিনই আন্দোলন করছেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ক্রাইম প্রিভেনশন উত্তরের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মো. মহিদুল ইসলাম বলেন, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কিছু দুষ্কৃতিকারী যুক্ত ছিল। তাঁদের কর্মকাণ্ডে পুলিশের মনে হয়েছে, তাঁরা অরাজকতা সৃষ্টি বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করছেন। এ কারণে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তা মোতায়েন করা হয়েছিল।

মো. মহিদুল ইসলাম আরও বলেন, ‘জনসাধারণের দুর্ভোগ ও জনভোগান্তির কথা বিবেচনা করে আমরা তাঁদের ধাওয়া দিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দিয়েছি এবং আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছি। এ জন্য আমাদের কোনো লাঠিচার্জ করতে হয়নি। আমরা কিছু সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করেছি। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি। আমরা শুধু সড়কটি ছেড়ে দেওয়ার জন্য তাদের সরিয়ে দিয়েছি।’

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, এ ঘটনায় পুলিশের কোনো সদস্য আহত হননি। তিনি আরও দাবি করেন, কোনো ধরনের মারামারি বা লাঠিচার্জের ঘটনাও ঘটেনি। তবে ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি সম্পর্কে পাওয়া তথ্যে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া এবং উভয় পক্ষের ইটপাটকেল নিক্ষেপের কথা উঠে এসেছে। সংঘর্ষের পর মিরপুর এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক হলেও সড়কে গাড়ির সংখ্যা কম দেখা গেছে।

"ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে আমরা গত কয়েক দিন ধরে আন্দোলন করছি। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তাজুল ইসলাম (আন্দোলনকারী শ্রমিক), মো. মহিদুল ইসলাম (পুলিশ কর্মকর্তা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ হাজার টাকা (ন্যূনতম মজুরি দাবি), ১০ নম্বর (গোলচত্বর), ১১ টা (ঘটনার সময়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖