📌 ঢাকার মিরপুরে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে সিটি করপোরেশনের ভেকু মসজিদের নির্মাণস্থলে ঢুকিয়ে দিলে আগুন লেগে পাঁচটি দোকান পুড়ে যাওয়ার দাবি দোকানিদের। দোকানিদের আয়ের উৎস ধ্বংসের দায় দাবি করে তারা
ঢাকার মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে সিটি করপোরেশনের ভেকু মসজিদের নির্মাণস্থলে ঢুকিয়ে দিলে আগুন লেগে পাঁচটি দোকান পুড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। দোকানিদের দাবি, এই অগ্নিকাণ্ডে তাদের জীবিকা ধ্বংসের দায় কে নেবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিরপুরের বায়তুল কুদ্দুস জামে মসজিদের নির্মাণস্থলে সিটি করপোরেশনের ভেকু ঢুকিয়ে দিলে আগুন লেগে পাঁচটি দোকান পুড়ে গেছে
- 📌 দোকানিদের দাবি, বৈদ্যুতিক লাইনে শর্টসার্কিটের কারণে আগুন ধরে গেছে এবং দোকানগুলো পুড়ে গেছে
- 📌 দোকানিদের আয়ের প্রধান উৎস ছিল পোশাক, জুতা ও স্বর্ণালংকার — এসব পুড়ে যাওয়ায় তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত
- 📌 দোকানিদের মতে, সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা তাদের সতর্কবার্তা নিরাকরন করে নির্মাণস্থলে হস্তক্ষেপ করে
- 📌 ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে ব্যবসায়ীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষে পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিক আহত হন
📰 বিস্তারিত
মিরপুরের বায়তুল কুদ্দুস জামে মসজিদের নির্মাণস্থলে সিটি করপোরেশনের ভেকু ঢুকিয়ে দিলে আগুন লেগে পাঁচটি দোকান পুড়ে গেছে। দোকানিদের মধ্যে অন্যতম মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম বলেন, ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানের সময় সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা তাদের সতর্কবার্তা নিরাকরন করে নির্মাণস্থলে ভেকু চালিয়ে দেন। বৈদ্যুতিক লাইনে শর্টসার্কিটের কারণে আগুন ধরে গেছে এবং দোকানগুলো পুড়ে গেছে।
শরিফুল ইসলাম জানান, সেখানে মোট পাঁচটি দোকান ছিল। তাঁর দোকানসহ অন্য দোকানগুলোয় নারী ও শিশুদের পোশাক, জুতাসহ স্বর্ণালংকার ছিল। এসব দোকানের আয় দিয়ে তাঁদের সংসার চলত। তিনি বলেন, ‘আমরা বলেছিলাম, এটা মসজিদের কাজের জায়গা। এখানে হাত দেবেন না। তারপরও তাঁরা ভেতরে এসে হস্তক্ষেপ করেছেন। এতে আমাদের বড় ক্ষতি হয়ে গেল।’
অভিযান চলার সময় শরিফুল ইসলাম দোকানের ভেতরে ছিলেন এবং সিটি করপোরেশনের লোকজনকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তাঁরা ভেতরে ভেকু চালান। এতে বৈদ্যুতিক লাইনে সমস্যা হয়ে আগুন ধরে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নেভায়। শরিফুল ইসলাম ক্ষতিপূরণের দায় প্রসঙ্গে বলেন, ‘আজ একজন এসে বলবে দেখছি, কাল আরেকজন কর্মকর্তা এসে বলবে দেখছি। কিন্তু আমাদের এই ক্ষতির দায় কে নেবে। এ দোকানই আমাদের একমাত্র আয়ের উৎস। আয় বন্ধ করে দিয়ে গেলে বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা কে করবে?’
এ ঘটনায় ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা সিটি করপোরেশনের গাড়িতে হামলা ও আগুন দেন। পরে তাঁদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে এবং ব্যবসায়ীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এ ঘটনায় কয়েকজন পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিক আহত হন।
"আমরা বলেছিলাম, এটা মসজিদের কাজের জায়গা। এখানে হাত দেবেন না। তারপরও তাঁরা ভেতরে এসে হস্তক্ষেপ করেছেন। এতে আমাদের বড় ক্ষতি হয়ে গেল"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: পাঁচটি দোকান পুড়ে গেছে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!