📌 ঢাকার মিরপুরের একটি ক্লিনিকে মধ্যরাতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ৬ আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, হামলাকারীরা প্রায় ১ কোটি ৯ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায় এবং বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর চালায়
মিরপুরের একটি ক্লিনিকে মধ্যরাতে সংঘটিত হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত ৬ আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) এই ঘটনার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ আদেশ প্রদান করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকার মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে মধ্যরাতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ৬ আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
- 📌 আসামিদের মধ্যে রয়েছে মো. শাহাদাত হোসেন (৩৩), কাজী মকবুল হোসেন (৫৮), মো. শাহআলম (৫৩), মো. আতিকুর রহমান (৩৩), মো. কামরুল ইসলাম (৫২) ও মো. শাকিল (২০)।
- 📌 হামলাকারীরা প্রায় ১ কোটি ৯ লাখ টাকার ক্ষতি করেছে, যার মধ্যে ৬০ লাখ টাকার মালামাল চুরি ও ভাঙচুরের ঘটনা অন্তর্ভুক্ত।
- 📌 অভিযোগে বলা হয়েছে, হামলাকারীরা হ্যামার ও লাঠি নিয়ে ক্লিনিকের প্রাচীর ভেঙে ভেতরে ঢুকে নৈশপ্রহরীদের মারধর করে বেঁধে রাখে।
- 📌 আদালত জামিন আবেদনের শুনানির জন্য সোমবার দিন নির্ধারণ করেছে।
📰 বিস্তারিত
মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা ৫ মিনিটে একদল ব্যক্তি হামলা চালায়। তারা হ্যামার ও লাঠি নিয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রাচীর ভেঙে ভেতরে ঢুকে দায়িত্বে থাকা দুই নৈশপ্রহরী আন্দ্রিয় সরকার (৪৩) ও মো. আব্দুল হাইকে (৬৩) মারধর করে বেঁধে রাখে। হামলাকারীরা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এবং পূর্ব পাশের প্রায় ২৮ ফুট দীর্ঘ ও ১৫ ফুট প্রস্থের একটি সেমিপাকা ঘর ভেঙে ফেলে। এতে প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, পরিবার পরিকল্পনা সেবা দেওয়ার আরেকটি সেমিপাকা ঘর ও এর আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়, যার ক্ষতি প্রায় ৪ লাখ টাকা। ক্লিনিক ইনচার্জ, চিকিৎসক ও ডেপুটি ক্লিনিক ইনচার্জের ব্যবহৃত প্রায় ৬০ ফুট দীর্ঘ ও ১৭ ফুট প্রস্থের সেমিপাকা ঘর, আসবাবপত্র ও যন্ত্রপাতি ভাঙচুর করা হয়, যার ক্ষতি প্রায় ২০ লাখ টাকা। এছাড়াও রেজিস্ট্রেশন শাখা ও আল্ট্রাসনোগ্রাম কক্ষের দরজা-জানালাও ভাঙচুর করা হয়, যার ক্ষতি প্রায় ২০ লাখ টাকা।
হামলাকারীরা প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন ওষুধ ও সামগ্রী, দুটি আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন, একটি জেনারেটর, দুটি কম্পিউটার, দুটি প্রিন্টার, তিনটি ফ্রিজ, তিনটি এসি ও তিনটি স্টিলের আলমারি নিয়ে যায়। এসব মালামালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৬০ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে পাঁচটি ঘর, দরজা-জানালা ভাঙচুর এবং বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় প্রায় ১ কোটি ৯ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
হামলাকারীরা চলে যাওয়ার সময় নৈশপ্রহরীদের ভয়ভীতি ও হুমকি দেয় এবং সেখানে একটি দোকানদার সমবায় সমিতির ব্যানার ও সাইনবোর্ড লাগিয়ে যায়। এই ঘটনায় রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ডা. নাসরিন আখতার শাহ আলী থানায় মামলা করেন।
"জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক তথ্য দিয়েছেন। তাদের নাম-ঠিকানা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। প্রাথমিক তদন্তে মামলার ঘটনায় তাদের সম্পৃক্ততার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিরপুর-১, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শাহাদাত হোসেন, কাজী মকবুল হোসেন, মো. শাহআলম, মো. আতিকুর রহমান, মো. কামরুল ইসলাম, মো. শাকিল, ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তার, তদন্ত কর্মকর্তা মো. আতোয়ার রহমান, আইনজীবী মো. এমরান হুসাইন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ আসামি, ১ কোটি ৯ লাখ টাকা ক্ষতি, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২৭ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!