📌 শরীয়তপুরের নড়িয়া দুর্ঘটনায় আহত হয়ে পঙ্গু হয়ে পড়া মিরাজের চিকিৎসায় অর্থের অভাব। বাড়ির ভিটা ছাড়া সব বিক্রি করে দিলেও তিনি সুস্থ হননি। তিন সন্তানের বাবা আজ আর্থিক সহযোগিতার আশায় দাঁড়িয়ে আছে
শরীয়তপুরের নড়িয়া দুর্ঘটনায় মারাত্মক আহত হয়ে পঙ্গু হয়ে পড়া মিরাজের চিকিৎসায় অর্থের অভাব। একসময় পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস হিসেবে ট্রাক চালাতেন এই বাবা। কিন্তু দুর্ঘটনার পর থেকে তার শরীরের তিনভাগ প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে পড়ায় আজ তিনি অসহায় হয়ে পড়েছেন। বাড়ির ভিটা ছাড়া সব বিক্রি করে দিলেও তিনি পুরোপুরি সুস্থ হননি। তিন সন্তানের বাবা মিরাজের চিকিৎসায় আর্থিক সহযোগিতা চাইছে পরিবার।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শরীয়তপুরের নড়িয়া দুর্ঘটনায় আহত হয়ে পঙ্গু হয়ে পড়া মিরাজের শরীরের তিনভাগ প্যারালাইসিসে আক্রান্ত
- 📌 বাড়ির ভিটা ছাড়া সব সম্পত্তি বিক্রি করে দিলেও মিরাজের চিকিৎসায় অর্থের অভাব
- 📌 তিন সন্তানের বাবা মিরাজের চিকিৎসায় আর্থিক সহযোগিতা চাইছে পরিবার, যোগাযোগের জন্য ০১৩২০৬২৪৬১৩ নম্বর দিয়েছেন
- 📌 লালমোহন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মাসুদ জানান, মিরাজ ইতোমধ্যে প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন, চিকিৎসার জন্য আবেদন করলে সহায়তা পাবেন
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের ভোলার লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের চরলক্ষ্মী এলাকার বাসিন্দা মো. মিরাজের জীবন পাল্টে গেছে দুর্ঘটনার কারণে। একসময় পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস হিসেবে ট্রাক চালাতেন তিনি। তার আয়েই চলত স্ত্রী রিংকু বেগম, দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে তার পরিবার। কিন্তু গত দুই বছর আগে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় ট্রাক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে মিরাজের শরীরের তিনভাগ প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে পড়েন।
চিকিৎসার খরচ জোগাতে বাড়ির ভিটা ছাড়া সব সম্পত্তি বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। তবুও তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেননি। আজ তিনি শয্যাশায়ী হয়ে পড়েছেন। নিজের চিকিৎসা করানোর সামর্থ্য নেই, নেই পরিবারের ভরণপোষণের সক্ষমতাও। প্রতিদিনের খাবারের ব্যবস্থা করতে হিমশিম খেতে হয়, সেখানে উন্নত চিকিৎসার ব্যয় বহন করা যেন অসম্ভব লড়াই।
মিরাজের স্ত্রী রিংকু বেগম জানান, “আমার স্বামী ট্রাক চালাতেন। তার আয়েই চলত সংসার। তবে দুর্ঘটনায় তিনি মারাত্মক আহত হন। এরপর থেকে তার চিকিৎসা করাতে গিয়ে বসতভিটা ছাড়া সব সম্পত্তি বিক্রি করে দিতে হয়েছে। তবুও তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেননি। অর্থাভাবে এখন থমকে আছে আমার স্বামী মিরাজের চিকিৎসা। পঙ্গু হয়ে ঘরে কাতরাচ্ছেন আমার স্বামী। তবে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা গেলে হয়তো আবারও কিছুটা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতেন তিনি।”
"আমার স্বামী মিরাজের চিকিৎসায় আর্থিক সহযোগিতা করতে ০১৩২০৬২৪৬১৩-এই (বিকাশ ও নগদ ব্যক্তিগত) নম্বরে যোগাযোগের অনুরোধ করছি।"
এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মাসুদ বলেন, “মিরাজ ইতোমধ্যে সমাজসেবা কার্যালয় থেকে প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন। চিকিৎসার জন্য আবেদন করলে নিয়ম অনুযায়ী আর্থিক সহায়তা পাবেন ওই ব্যক্তি।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভোলার লালমোহন উপজেলা, কালমা ইউনিয়ন, চরলক্ষ্মী এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মিরাজ (পঙ্গু হয়ে পড়া বাবা), রিংকু বেগম (স্ত্রী), মো. মাসুদ (লালমোহন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ০১৩২০৬২৪৬১৩ (যোগাযোগ নম্বর), তিনভাগ প্যারালাইসিস (মিরাজের আহত অংশ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!