📌 মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় ধানচাষী মো. কামাল উদ্দিনের সোলার প্যানেল থেকে তিন মাসে ছয়টি প্লেট চুরি হয়। ধানের শিষ বের হওয়া সময়ে সেচ বন্ধের কারণে কৃষকদের ফসলের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা। পুলিশ খোঁজখবর নিচ্ছে
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় ধানচাষী মো. কামাল উদ্দিনের সোলার সেচপাম্প থেকে তিন মাসের মধ্যে ছয়টি প্লেট চুরি হয়েছে। এই ঘটনায় কৃষকেরা ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধানের শিষ বের হওয়া সময়ে সেচ বন্ধের কারণে কৃষকদের ফসলের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মেহেরপুর গাংনীতে কৃষক মো. কামাল উদ্দিনের সোলার প্যানেল থেকে ১৩ অক্টোবর রাতে তিনটি প্লেট চুরি হয়। তিন মাস আগেও একই জায়গা থেকে তিনটি প্লেট চুরি হয়েছিল।
- 📌 প্রতিটি প্লেটের দাম ২০ হাজার টাকা। ছয়টি প্লেট চুরির কারণে কৃষকের ক্ষতি হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা।
- 📌 ধানের শিষ বের হওয়া সময়ে সেচ বন্ধের কারণে কৃষকদের ফসলের ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা।
- 📌 গাংনী থানার ওসি মো. মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, খোঁজখবর নেওয়া শুরু হয়েছে। আসামিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
- 📌 গাংনী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ভুক্তভোগী কৃষকের আবেদন পেলে সহযোগিতা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেন।
📰 বিস্তারিত
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় কৃষক মো. কামাল উদ্দিনের সোলার প্যানেল থেকে বারবার চুরির ঘটনা ঘটছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে ভবানীপুর মাঠে তিনটি প্লেট চুরি হয়। তিন মাস আগেও একই জায়গা থেকে তিনটি প্লেট চুরি হয়েছিল। এই বারবার চুরির কারণে কৃষক কামাল উদ্দিনের সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তিনি বলেন, “প্রতিটি প্লেটের দাম ২০ হাজার টাকা। ছয়টি প্লেট চুরির কারণে আমার ক্ষতি হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। এছাড়াও অন্যান্য খরচও রয়েছে।”
কৃষক কামাল উদ্দিন ধারদেনা করে সোলার প্যানেল স্থাপন করেছেন। তিনি কৃষি বিভাগের সহযোগিতা কামনা করছেন। পাশাপাশি চুরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।
অন্য কৃষক মো. পাতুয়ালী বলেন, বুধবার সকালে তাঁর ধানের জমিতে সেচ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সোলার প্যানেলের প্লেট চুরির কারণে সেচ বন্ধ দেখতে পান। তিনি বলেন, “দ্রুত প্লেটের ব্যবস্থা না হলে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। সময়মতো সেচ দিতে না পারলে ধানসহ অন্যান্য ফসলের ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।”
"এভাবে বারবার চুরি হলে আমি কীভাবে আবাদ করবেন, আর অন্য কৃষকদের জমিতে কীভাবে সেচ দেবেন—তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছি।"
গাংনী থানার ওসি মো. মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, বিষয়টি সম্পর্কে পুলিশ অবগত হয়েছে। ইতিমধ্যে খোঁজখবর নেওয়া শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, “ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।”
গাংনী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। ভুক্তভোগী কৃষকের পক্ষ থেকে লিখিত আবেদন পেলে আমরা দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানাব। উপজেলা কৃষি বিভাগ সব সময় চাষিদের পাশে আছে। এ ধরনের সংকটে আমরা কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করি।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাংনী উপজেলা, মেহেরপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. কামাল উদ্দিন, মো. পাতুয়ালী, ওসি মো. মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী, কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ ২০ হাজার টাকা (ক্ষতি), ২০ হাজার টাকা (প্রতি প্লেটের দাম), ৬টি প্লেট (চুরি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!