📌 মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় শনিবার ভোর থেকে ঘন কুয়াশা ও শীতের অনুভূতি বাড়ছে। সড়ক দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও জীবিকার তাগিদে মানুষ কাজে বের হচ্ছেন। স্থানীয়রা বলছেন, ঋতুবৈচিত্র্য হারিয়ে যাচ্ছে
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় শনিবার (১০ অক্টোবর) ভোর থেকে ঘন কুয়াশা ও শীতের অনুভূতি বাড়ছে। রাস্তাঘাট, মাঠঘাট ও লোকালয় সম্পূর্ণ কুয়াশায় ঢাকা পড়েছে। সড়কে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় যানবাহন চালকরা হেডলাইট জ্বালিয়ে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করছেন। স্থানীয়রা জানান, এই কুয়াশা ও শীতের অনুভূতি প্রকৃতিতে শীতের আগমনী বার্তা দিচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১০ অক্টোবর শনিবার ভোর থেকে মেহেরপুরের গাংনীতে ঘন কুয়াশা ও শীতের অনুভূতি বাড়ছে।
- 📌 সড়কে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় যানবাহন চালকরা হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছেন।
- 📌 ৬০ বছর বয়সী রিপন আলী বলেন, কুয়াশায় পোশাক ভিজে যাচ্ছে এবং শীতের কারণে কাজ করা কষ্টসাধ্য হচ্ছে।
- 📌 কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ঘন কুয়াশা ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা নেই, তবে অতিরিক্ত শীতের সময় ক্ষতি হতে পারে।
- 📌 ভ্যানচালক হকমান আলী ও সাব্বির হোসেন বলেছেন, কুয়াশায় সড়ক দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
মেহেরপুরের গাংনীতে শনিবার ভোর থেকেই ঘন কুয়াশা ও হালকা বাতাস প্রকৃতিতে শীতের আগমনী বার্তা দিচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, এই কুয়াশা চলতি মৌসুমে সবচেয়ে বেশি ঘন। এর আগে কয়েক দিন হালকা কুয়াশা ও শীত অনুভূত হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দা মো. লোকমান হোসেন বলেন, “আজ ভোরে রাস্তায় বের হয়ে দূরের কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। তবে এই কুয়াশায় ফসলের ক্ষতি হবে না, বরং উপকারী হবে।”
জীবিকার তাগিদে মানুষ কুয়াশা উপেক্ষা করে কাজে বের হচ্ছেন। ভ্যানচালক হকমান আলী বলেন, “বামন্দী থেকে তেঁতুলবেড়িয়া যাওয়ার জন্য রওনা হয়েছি, কিন্তু রাস্তায় এত ঘন কুয়াশা যে সামনে কিছুই দেখা যাচ্ছে না। লাইট জ্বালিয়ে চলতে হচ্ছে।”
অটোচালক সাইফুল ইসলাম জানান, “ভোর থেকেই ঘন কুয়াশা পড়ছে। তাই খুব ধীরে গাড়ি চালাচ্ছি এবং লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছি। কুয়াশার কারণে সামনে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে না। এ অবস্থায় গাড়ি চালাতে ভয় লাগে।”
৬০ বছর বয়সী রিপন আলী বলেন, “আজ ভোরে ঘন কুয়াশার সঙ্গে হালকা শীতও পড়েছে। রাস্তায় বের হওয়ার পর কুয়াশায় শরীরের পোশাক ভিজে গেছে। জীবিকার তাগিদে প্রতিদিনই কাজের জন্য বের হতে হয়। সামনে শীত আরও বাড়বে, তখন কাজ করতেও কষ্ট হবে।”
গাংনী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, বর্তমানে যে ধরনের কুয়াশা পড়ছে, তাতে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা নেই। তবে অতিরিক্ত শীতের সময় ঘন কুয়াশা পড়লে কিছু ফসলের ক্ষতি হতে পারে।
"আগে ঋতু পরিবর্তনের যে স্বাভাবিক চিত্র দেখা যেত, এখন তা অনেকটাই বদলে গেছে। দিন দিন প্রকৃতি থেকে ঋতুবৈচিত্র্যের চেনা রূপ হারিয়ে যাচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাংনী উপজেলা, মেহেরপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হকমান আলী, সাইফুল ইসলাম, লোকমান হোসেন, রিপন আলী (৬০), মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ অক্টোবর (তারিখ), ৬০ বছর (বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!