📌 তজুমদ্দিন উপজেলার মেঘনা নদীতে মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গেছে। ট্রলারে থাকা চার জেলে জীবন বাঁচাতে উদ্ধার হলেও ট্রলারটি এখনও পাওয়া যায়নি। মালিকের দাবি, প্রায় ১০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে
তজুমদ্দিন উপজেলার মেঘনা নদীর তীব্র স্রোতে একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গেছে। ঘটনায় ট্রলারের মালিক ও জেলেরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ট্রলারটি ডুবের পর থেকে নদীর গভীরে হারিয়ে গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মেঘনা নদীর তীব্র স্রোতে তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের হাজিকান্দি এলাকার ট্রলার ডুবে গেছে।
- 📌 ট্রলারে থাকা চার জেলে (রুহুল আমিন মাঝি, মো. শাহিন, জসিম উদ্দিন ও নাসির উদ্দিন) নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সোনার চর এলাকায় উদ্ধার হলেও ট্রলারটি এখনও পাওয়া যায়নি।
- 📌 ট্রলার মালিক রুহুল আমিন মাঝি দাবি করেছেন, প্রায় ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়েছে।
- 📌 মেঘনা নদীর প্রতিকূল স্রোত ও উদ্ধার অভিযানের কঠিনতা উল্লেখ করেছেন স্থানীয় জেলেরা।
- 📌 তজুমদ্দিন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আমির হোসেন বলেছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রেরণ করা হবে।
📰 বিস্তারিত
গত শনিবার দুপুরে মেঘনা নদীতে মাছ ধরছিলেন রুহুল আমিন মাঝির ট্রলার। হঠাৎ স্রোতের তীব্রতা বাড়ার কারণে ট্রলারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পানিতে ডুবে যায়। মুহূর্তেই ট্রলারটি নদীর গভীরে তলিয়ে যায়। ট্রলারে থাকা চার জেলে নিজেদের জীবন রক্ষার জন্য নদীতে ঝাঁপ দেন। তারা নদীতে ভাসতে থাকলে সোনার চর এলাকায় অন্য একটি ট্রলারের জেলেরা তাদের উদ্ধার করেন।
ট্রলার ডুবির খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় জেলেদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। ডুবে যাওয়া ট্রলারটির অবস্থান শনাক্ত করতে জেলেরা নদীতে খোঁজাখুঁজি চালান। তবে এখনও পর্যন্ত ট্রলারের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। মেঘনা নদীর তীব্র স্রোত ও প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে উদ্ধার অভিযান কঠিন হয়ে পড়েছে।
ট্রলার মালিক রুহুল আমিন মাঝি বলেন, “শনিবার মাছ ধরা শেষে দুপুর দেড়টার দিকে ঘাটে আসার সময় হঠাৎ স্রোতে ট্রলারটি ডুবে যায়। কোনোভাবে আমরা তীরে উঠতে পারলেও ট্রলারটি এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। এতে করে আমাদের প্রায় ১০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।”
তজুমদ্দিন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আমির হোসেন জানান, ক্ষতিগ্রস্ত জেলেরা আর্থিক সহযোগিতার জন্য আবেদন করেছেন। ওই আবেদনটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে। বরাদ্দ আসলে তা ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে দ্রুত পৌঁছে দেওয়া হবে।
"মেঘনায় স্রোত বাড়ার সময় মাছ ধরার ট্রলারগুলো মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে থাকে। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি আকারের নৌযানগুলো নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মেঘনা নদী, তজুমদ্দিন উপজেলা, চাঁদপুর ইউনিয়ন, হাজিকান্দি এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুহুল আমিন মাঝি, মো. আমির হোসেন, মো. শাহিন, জসিম উদ্দিন, নাসির উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ লক্ষ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!