📌 মানিকগঞ্জে মা ইলিশ রক্ষায় ১৪ দিনে ১৫৭টি অভিযান চালানো হলেও অবৈধ ইলিশ শিকার বন্ধ হয়নি। ৫০ লাখ মিটার জাল জব্দ করা হলেও দুর্গম এলাকায় রাতের আঁধারে মাছ ধরা চলছে। কর্মকর্তারা হামলার শিকার হয়েছেন।
মানিকগঞ্জের দুর্গম নদী ও চরাঞ্চলে মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে ১৪ দিনে ১৫৭টি অভিযান চালানো হলেও অবৈধ ইলিশ শিকার বন্ধ হয়নি। মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এই সময়ে প্রায় ৫০ লাখ মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য ৪ কোটি ১৯ লাখ টাকার বেশি। তবে শিবালয়, দৌলতপুর ও হরিরামপুর উপজেলার গভীর রাতে অবৈধ মাছ ধরা, মজুত ও পরিবহনের অভিযোগ উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মানিকগঞ্জে ১৪ দিনে ১৫৭টি অভিযান চালানো হলেও অবৈধ ইলিশ শিকার বন্ধ হয়নি
- 📌 ৫০ লাখ মিটার জাল জব্দ করা হলেও ৪ কোটি ১৯ লাখ টাকার মূল্যের জাল ধ্বংস করা হয়েছে
- 📌 ৩২ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হলেও দুর্গম এলাকায় রাতের আঁধারে অবৈধ মাছ ধরা চলছে
- 📌 অভিযানকারী কর্মকর্তারা হামলার শিকার হয়েছেন, শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে
- 📌 মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেছেন, জনবল ও বরাদ্দের সীমাবদ্ধতা অভিযানকে বাধাগ্রস্ত করছে
📰 বিস্তারিত
মানিকগঞ্জ জেলা মৎস্য কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৮ থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত ১৩ দিনে দৌলতপুর, শিবালয়, হরিরামপুর ও ঘিওর উপজেলায় ১৫৫টি অভিযান চালানো হয়। এ সময় ৪৮ লাখ ৫০ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য ৪ কোটি ১৯ লাখ ১ হাজার টাকা। এছাড়া ৭৬৩ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। ১৬টি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩২ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং ২৩টি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। মাছঘাট, আড়ত ও বাজারে ৫২১ বার পরিদর্শন করা হয়েছে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুরাইয়া আক্তার তন্নী জানান, অভিযানের সময় অবৈধভাবে ইলিশ শিকারে জড়িত জেলেদের একটি সংঘবদ্ধ দল কর্মকর্তাদের ওপর হামলা করে। পরিস্থিতির কারণে অভিযান পরিচালনাকারীদের পিছু হটতে হয়েছে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, জনবল ও বরাদ্দের সীমাবদ্ধতার কারণে অভিযান পরিচালনায় বাধা পড়ছে। তিনি আরও জানান, দৌলতপুরে অভিযানের সময় মৎস্য বিভাগের এক কর্মচারী শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, মা ইলিশ রক্ষায় নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে শুধু অভিযান ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা দিয়ে অবৈধ ইলিশ শিকার বন্ধ করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, দুর্গম নদীপথে নজরদারি জোরদারের পাশাপাশি ইলিশ শিকার, মজুত ও পরিবহন বন্ধে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
"মা ইলিশ রক্ষায় নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে শুধু অভিযান ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা দিয়ে অবৈধ ইলিশ শিকার বন্ধ করা সম্ভব নয়। দুর্গম নদীপথে নজরদারি জোরদারের পাশাপাশি ইলিশ শিকার, মজুত ও পরিবহন বন্ধে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মানিকগঞ্জ জেলা (শিবালয়, দৌলতপুর, হরিরামপুর, ঘিওর উপজেলা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, সুরাইয়া আক্তার তন্নী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫৭টি অভিযান, ৫০ লাখ মিটার জাল, ৪ কোটি ১৯ লাখ টাকা, ৩২ জন কারাদণ্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!