📌 মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় শ্বশুরবাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার চুরি হয়। জামাতা সামিউল ইসলাম (৪০) গ্রেপ্তার হন এবং রিমান্ডে স্বীকার করে। পুলিশ উদ্ধার করে ১৩ লাখ টাকার গয়না। বাদী আকবর আলী খান জামাতার জড়িতপনায় অবিশ্বাসী
মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় শ্বশুরবাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার চুরির ঘটনা ঘটে। ঘটনায় জামাতা সামিউল ইসলাম (৪০) গ্রেপ্তার হন এবং রিমান্ডে স্বীকার করে। পুলিশ উদ্ধার করেছেন ১৩ লাখ টাকার মূল্যের গয়না। ঘটনাটি ঘটেছে পাটাইকোনা গ্রামে, যেখানে আকবর আলী খান ও তাঁর পরিবার বসবাস করতেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মানিকগঞ্জ ঘিওর উপজেলার পাটাইকোনা গ্রামে শ্বশুরবাড়ি থেকে চুরি হয় স্বর্ণালংকারসহ গুরুত্বপূর্ণ মালামাল
- 📌 গ্রেপ্তার হন জামাতা মো. সামিউল ইসলাম (৪০), বর্তমানে কারাগারে আছেন
- 📌 চুরি হওয়া গয়নার মধ্যে ৩টি মালা, ৫ জোড়া কানের দুল, ২টি বালা, ১টি সিতাহার, ২টি আংটি ও ১টি ব্রেসলেট — মোট ওজন ৬ ভরি
- 📌 পুলিশ উদ্ধার করে ১৩ লাখ টাকার মূল্যের গয়না রাজশাহীর বোয়ালিয়া উপজেলার ব্যাংক লকার থেকে
- 📌 রিমান্ডে সামিউল স্বীকার করে চুরির ঘটনা, বাদী আকবর আলী খান অবিশ্বাসী
📰 বিস্তারিত
মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার পাটাইকোনা গ্রামে আকবর আলী খানের বাড়িতে ৩০ আগস্ট চুরির ঘটনা ঘটে। সেই সময় আকবর আলী ও তাঁর স্ত্রী চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ছিলেন। বাড়ি ফিরে তারা দেখেন দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষের দরজা, ট্রাংক ও লকারের তালা ভাঙা অবস্থায়। স্ত্রীর স্বর্ণালংকার, ব্যাংকের চেক বই ও এটিএম কার্ড চুরি হয়ে যায়। ঘটনায় জামাতা সামিউল ইসলামের জড়িতপনা ধারণ করে ৮ সেপ্টেম্বর আকবর আলী ঘিওর থানায় মামলা করেন।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, চুরি হওয়া গয়নার মধ্যে রয়েছে তিনটি মালা, পাঁচ জোড়া কানের দুল, দুটি বালা, একটি সিতাহার, দুটি আংটি ও একটি ব্রেসলেট। সবগুলোর মোট ওজন প্রায় ছয় ভরি। পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সামিউলের অবস্থান শনাক্ত করে ১২ সেপ্টেম্বর রাজশাহীর বোয়ালিয়া উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করেন। সামিউলকে মানিকগঞ্জের জুডিশিয়াল আদালতে রিমান্ডে পাঠানো হয়। রিমান্ডে তিনি পুলিশের কাছে সব স্বীকার করে দেন।
পুলিশের তদন্তে গত রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজশাহীর বোয়ালিয়া উপজেলার একটি ব্যাংকের লকার থেকে চুরি হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া গয়নার বাজারমূল্য প্রায় ১৩ লাখ টাকা। আজ সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) ঘিওর থানার ওসি মুহাম্মদ কবীর নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, সামিউলকে গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গয়না উদ্ধার করা হয়েছে। রিমান্ড শেষে সামিউলকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
"উদ্ধারের পর পুলিশ চুরি হওয়া স্বর্ণের গয়নাগুলো আমাকে দিয়ে দিছে। এই চুরির ঘটনার সঙ্গে আমার জামাতা জড়িত, তা ভাবতেও পারি নাই। রিমান্ডে সে পুলিশের কাছে সব স্বীকার করেছে।"
মামলার বাদী আকবর আলী খান প্রথম আলোকে বলেন, “জামাতার জড়িতপনা নিয়ে আমি অবিশ্বাসী। রিমান্ডে তিনি পুলিশের কাছে সব স্বীকার করেছেন, কিন্তু আমি বিশ্বাস করতে পারছি না।” সামিউল ইসলামের পৈতৃক বাড়ি নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার জোনাকী এলাকায়। তিনি শ্বশুরবাড়িতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে থাকতেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলা, পাটাইকোনা গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সামিউল ইসলাম (৪০), আকবর আলী খান, মুহাম্মদ কবীর (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ লাখ টাকা (গয়নার মূল্য), ৬ ভরি (গয়নার ওজন), ৪০ বছর (সামিউলের বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!