📌 মানিকগঞ্জে গত সেপ্টেম্বর এক পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যু ঘটে, কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাম্প্রতিক ঘটনা হিসেবে ভুলভাবে ভিডিও প্রচারিত হয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বিষের ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করার সন্দেহে ঘটনাটি ঘটে
মানিকগঞ্জে গত সেপ্টেম্বর এক পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যু বিষয়ক ভিডিও সাম্প্রতিক ঘটনা হিসেবে ভুলভাবে প্রচারিত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এক নারী ও দুটি শিশুর মরদেহ বিছানায় ও মেঝেতে পড়ে থাকা অবস্থায়। তবে এই ভিডিওটি গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার ফুটেজ, যা সাম্প্রতিক ঘটনা হিসেবে ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুলভাবে প্রচারিত ভিডিওতে মানিকগঞ্জে এক পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যু দেখানো হয়েছে, যা গত বছরের ঘটনা
- 📌 ভিডিওতে দেখা যায়, বিছানায় এক নারী ও মেঝেতে দুটি শিশুকে পড়ে থাকা অবস্থায়, কিন্তু কোনো সুনির্দিষ্ট স্থান বা তারিখ উল্লেখ করা হয়নি
- 📌 গত ২৩ সেপ্টেম্বর মানিকগঞ্জ শহরের পশ্চিম বান্দুটিয়া এলাকায় একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল
- 📌 নিহতরা ছিলেন মালয়েশিয়া প্রবাসী শাহীন দেওয়ানের স্ত্রী শিখা আক্তার (২৭), ছেলে আলভী (৭) ও মেয়ে সায়মা আক্তার (২)
- 📌 বিষের ট্যাবলেটের সন্ধান পাওয়ায় পুলিশের ধারণা, পারিবারিক কলহের জেরে নারী আত্মহত্যা করেছেন
- 📌 ঘটনাটি ঘটে গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাম্প্রতিক ঘটনা হিসেবে ভুলভাবে প্রচারিত হয়েছে
📰 বিস্তারিত
‘Rajon Ahmed’ নামের একটি ফেসবুক পেজে গত ১৪ অক্টোবর একটি ভিডিও শেয়ার করা হয়েছিল। ক্যাপশনে দাবি করা হয়েছিল, ‘শিশুসহ তিন জনের মরদেহ উদ্ধার’। এই ভিডিওটি সাম্প্রতিক ঘটনা হিসেবে উপস্থাপিত হলেও, এটি গত বছরের ঘটনার ফুটেজ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ১৬ সেকেন্ডের ভিডিওতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তিনজন সদস্যকে দেখা গেলেও কোনো সুনির্দিষ্ট স্থান বা তারিখ উল্লেখ করা হয়নি।
অনুসন্ধান চালিয়ে দেখা গেছে, এই ভিডিওটি মানিকগঞ্জে গত ২৩ সেপ্টেম্বর ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার ফুটেজ। মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি এস এম আমান উল্লাহের ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দুপুরে কবি মহিদুল সড়কের একটি দোতলা বাড়ি থেকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বিষের ট্যাবলেটের সন্ধান পাওয়ায় ধারণা করা হয়, পারিবারিক কলহের জেরে নারী আত্মহত্যা করেছেন।
মালয়েশিয়া প্রবাসী শাহীন দেওয়ানের স্ত্রী শিখা আক্তার (২৭), ছেলে আলভী (৭) ও মেয়ে সায়মা আক্তার (২) নিহত হয়েছিলেন। শাহীন দেওয়ানের মামা আমান আনসারীর বরাতে জানা যায়, শাহীন ঘটনার এক মাস আগে মালয়েশিয়া গিয়েছিলেন। স্থানীয়দের ধারণা, পারিবারিক কলহের কারণে ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে।
"শিশুসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার... এর শেষ কোথায় হবে? দেশে কি আইন মরে গেছে? নাকি হাতে চুরি পরে প্রশাসন ঘুরতেছে। এর বিচার বাংলার মাটিতে একদিন হবেই ইনশাআল্লাহ, ইতিহাসের পাতায় সব কিছু লেখ থাকবে।"
ময়নাতদন্তের জন্য লাশগুলো মানিকগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্ত চলছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, একটি মামলা করা হয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মানিকগঞ্জ শহর, পশ্চিম বান্দুটিয়া এলাকা, কবি মহিদুল সড়ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহীন দেওয়ান, শিখা আক্তার, আলভী (৭), সায়মা আক্তার (২), পুলিশের ওসি এস এম আমান উল্লাহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ অক্টোবর (ভিডিও শেয়ার তারিখ), ১৬ সেকেন্ড (ভিডিও দৈর্ঘ্য), ২৩ সেপ্টেম্বর (ঘটনার তারিখ), ২৭ বছর (শিখা আক্তার), ৭ বছর (আলভী), ২ বছর (সায়মা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!