📅 ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মানিকগঞ্জে পরিবারভিত্তিক হত্যাকাণ্ড: সৌদি প্রবাসী ও তার স্ত্রী-শিশুকে একই ঘরে নিহত, হত্যা ও আত্মহত্যার মামলা দায়ের

মানিকগঞ্জে পরিবারভিত্তিক হত্যাকাণ্ড: সৌদি প্রবাসী ও তার স্ত্রী-শিশুকে একই ঘরে নিহত, হত্যা ও আত্মহত্যার মামলা দায়ের

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মানিকগঞ্জের কৃষ্ণপুর ইউনিয়নে একই ঘরে সৌদি প্রবাসী একরাম হোসেন (৪২), তার স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা আক্তার (২৫) ও দেড় বছরের শিশু আলিজা নূর নিহত পাওয়া গেছে। স্ত্রী ও শিশুকে হত্যার অভিযোগে একরামের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে, তার মৃত্যুর ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে। পুলিশের তদন্ত চলছে

মানিকগঞ্জের কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বারাহীরচর জান্নাকান্দি এলাকায় একই ঘরে সৌদি আরবপ্রবাসী একরাম হোসেন (৪২), তার স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা আক্তার (২৫) ও দেড় বছরের শিশুকন্যা আলিজা নূর নিহত পাওয়া গেছে। ঘটনায় স্ত্রী ও শিশুকে হত্যার অভিযোগে একরামের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে, তার মৃত্যুর ঘটনায় পৃথক অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, স্ত্রী ও শিশুকন্যাকে হত্যার পর একরাম আত্মহত্যা করতে পারেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বারাহীরচর জান্নাকান্দি এলাকায় একই ঘরে ৩ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে — একরাম হোসেন (৪২), তার স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা আক্তার (২৫) ও দেড় বছরের শিশুকন্যা আলিজা নূর।
  • 📌 স্ত্রী ও শিশুকন্যাকে হত্যার অভিযোগে একরামের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন প্রিয়াঙ্কার বড় বোন মিশু বেগম। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
  • 📌 একরামের মৃত্যুর ঘটনায় তার মা তাহমিনা বেগম পৃথক অপমৃত্যু মামলা করেছেন।
  • 📌 পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হয়, স্ত্রী ও শিশুকন্যাকে হত্যার পর একরাম আত্মহত্যা করতে পারেন। ঘটনার কারণ ও অন্য কারও জড়িত থাকার বিষয় এখনো নিশ্চিত নয়।
  • 📌 ময়নাতদন্ত শেষ হলেও মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। পরিবারের সদস্যরা মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের সামনে মরদেহের অপেক্ষায় ছিলেন।

📰 বিস্তারিত

গত শনিবার দুপুরে পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘ সময় ঘরের দরজা বন্ধ থাকায় সন্দেহ করলে দরজা খুলে ঘরের ভেতরে একরাম, তার স্ত্রী ও শিশুকন্যার মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ তিনটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, একরাম সৌদি আরবে থাকাকালীন থেকেই স্ত্রীকে নিয়ে সন্দেহ করতেন। দেশে ফেরার পর দাম্পত্য সম্পর্কে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল বলে জানা যায়।

প্রিয়াঙ্কার বাবা মোহাম্মদ মহসিন খান দাবি করেন, তাঁর মেয়ের সঙ্গে একরামের কোনো দাম্পত্য বিরোধ ছিল না। তবে পরিবারের অন্য সদস্যদের কেউ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারেন বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তিনি। মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন বলেছেন, ঘটনাটির নিবিড় তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

একরাম প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর প্রায় আড়াই বছর আগে প্রিয়াঙ্কা আক্তারের সঙ্গে বিয়ে করেছিলেন। তাঁদের দেড় বছরের এক কন্যা সন্তান ছিল। একরাম দীর্ঘদিন সৌদি আরবে ছিলেন এবং সম্প্রতি দেশে ফেরেন। তিনি মা তাহমিনা বেগম, ভাই ও ভাবির সঙ্গে একই বাড়িতে থাকতেন।

"বোন ও ভাগনিকে হত্যা করে একরাম আত্মহত্যা করেছেন বলে আমরা মনে করছি। ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত থাকতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।" — মিশু বেগম, প্রিয়াঙ্কার বড় বোন

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা, কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বারাহীরচর জান্নাকান্দি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: একরাম হোসেন (৪২), প্রিয়াঙ্কা আক্তার (২৫), আলিজা নূর (দেড় বছর), মিশু বেগম, মোহাম্মদ মহসিন খান, তাহমিনা বেগম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন মরদেহ, ৪২ বছর (একরাম), ২৫ বছর (প্রিয়াঙ্কা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖