📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ৪:২১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৫২ কোটি টাকায় সংস্কার হলেও মানিকগঞ্জের মৃতপ্রায় খালে পানি বন্ধ, বর্জ্যে ডুবে যাচ্ছে শহর

৫২ কোটি টাকায় সংস্কার হলেও মানিকগঞ্জের মৃতপ্রায় খালে পানি বন্ধ, বর্জ্যে ডুবে যাচ্ছে শহর

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মানিকগঞ্জের কালীগঙ্গা নদী থেকে উৎপন্ন খালে ৫২ কোটি টাকা বরাদ্দের পরও সংস্কার কাজ শেষ হয়নি। বর্জ্য ও বাঁধের কারণে পানির প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে, শহরের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, প্রকল্পের ৯৬ শতাংশ কাজ শেষ হলেও দুর্গন্ধ ও ময়লার সমস্যা অব্যাহত রয়েছে

মানিকগঞ্জ শহরের কালীগঙ্গা নদী থেকে উৎপন্ন ঐতিহাসিক খালটি বর্তমানে মৃতপ্রায় অবস্থায় রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে শহরের পানি নিষ্কাশনের একমাত্র মাধ্যম এই খাল, কিন্তু দখল, দূষণ ও বর্জ্যের কারণে এটি সম্পূর্ণ অবহেলিত। সরকারের সর্বশেষ সংস্কার প্রকল্পে ৫২ কোটি ৩৮ লাখ ৪৬ হাজার ৮৭৩ টাকা বরাদ্দ থাকলেও, প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও খালের পানির প্রবাহ বন্ধ রয়েছে এবং দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৫২ কোটি টাকার প্রকল্পে** খালের ৯৬ শতাংশ কাজ শেষ হলেও দুটি স্থানে বাঁধের কারণে পানির প্রবাহ বন্ধ রয়েছে।
  • 📌 **৬ কিলোমিটার খালের** পুনঃখনন, সেতু নির্মাণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজে ২০২২ সাল থেকে শুরু হলেও ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও কাজ শেষ হয়নি।
  • 📌 **বাসিন্দারা অভিযোগ** করছেন, বাসাবাড়ি ও রেস্তোরাঁ থেকে বর্জ্য নিয়মিত খালে ফেলা হচ্ছে, ফলে পানি দূষিত হয়ে পড়ছে।
  • 📌 **২০০৭, ২০০৮ ও ২০১৬ সালে** তিনবার সংস্কার প্রকল্পের পরও খাল আবার ময়লায় ডুবে যায়।
  • 📌 **ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান** মেসার্স অ্যাপেক্স এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি লাবলু মিয়া দাবি করেছেন, প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ হবে।

📰 বিস্তারিত

মানিকগঞ্জ শহরের পশ্চিম বান্দুটিয়া (বেউথা) এলাকায় কালীগঙ্গা নদী থেকে উৎপন্ন এই খাল পুরো শহর এলাকা অতিক্রম করে সোনাকান্দর বা সন্তোষপুর এলাকায় গিয়ে পুনরায় নদীতে মিশে যায়। স্থানীয়রা এটি ‘মানিকগঞ্জ খাল’ নামে পরিচিত। বর্ষা মৌসুমে শহরের পানি নিষ্কাশনের একমাত্র মাধ্যম এই খাল। তবে বর্তমানে খালের পানির প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, বেউথা স্লুইসগেট থেকে সোনাকান্দর স্লুইসগেট পর্যন্ত ৬ দশমিক ১৫০ কিলোমিটার খালের পুনঃখনন, ঢাল সংরক্ষণ, হাঁটার পথ তৈরি ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ নেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে তিনটি সেতু ও একটি গণশৌচাগার নির্মাণের কথাও রয়েছে।

২০২২ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পে প্রাথমিকভাবে ২৭ কোটি ৯৮ লাখ ৮৩ হাজার ১৯৬ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছিল। চুক্তিমূল্য ছিল ২৫ কোটি ১ লাখ ৫৯ হাজার ৪ টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ ছিল ২০২৪ সালের ১০ মে, পরে তা বাড়িয়ে ২০২৫ সালের ১০ জুন করা হয়। কিন্তু ওই সময়ের মধ্যেও কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ বন্ধ রাখে। পরে পৌরসভায় প্রশাসক নিয়োগের পর আবার কাজ শুরু হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করছেন, দুটি স্থানে সেতু নির্মাণের জন্য খালের মধ্যে বাঁধ দেওয়া হলেও সেতুর নির্মাণ শেষ হওয়ার পরও বাঁধ দুটি অপসারণ করা হয়নি। এতে খালে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। বাসাবাড়ি, হোটেল-রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন স্থানের বর্জ্য নিয়মিত খালে ফেলা হচ্ছে। ফলে সংস্কারের পরও পানি দূষিত হয়ে পড়ছে। কোথাও পানি আটকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, বাড়ছে মশার উপদ্রব।

“খালটিতে কয়েক দফায় কোটি কোটি টাকা ব্যয় হলেও সঠিক বাস্তবায়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সুফল মিলছে না।”

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) মানিকগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস বলেছেন, প্রকল্পের বর্ধিত মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। প্রায় ৯৬ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হলেও খালের অবস্থা পরিবর্তন হয়নি। পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম জানান, প্রকল্পের বর্ধিত মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। তবে প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ করার জন্য আরও সময় লাগতে পারে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মানিকগঞ্জ শহর, পশ্চিম বান্দুটিয়া (বেউথা), সোনাকান্দর, সন্তোষপুর এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লাবলু মিয়া (মেসার্স অ্যাপেক্স এন্টারপ্রাইজ), জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস (সুজন মানিকগঞ্জ), মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম (পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫২ কোটি ৩৮ লাখ ৪৬ হাজার ৮৭৩ টাকা (সর্বশেষ বরাদ্দ), ৬ কিলোমিটার (খালের দৈর্ঘ্য), ৯৬ শতাংশ (কাজের সম্পন্নতা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖