📌 ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় মধুমতি নদীর তীব্র ভাঙন থেকে রক্ষা পেতে ১৪ হাজার জিওব্যাগ ফেলা হচ্ছে। আটটি বাড়ি সম্পূর্ণ ডুবে যাওয়ার পর বাসিন্দারা স্থায়ী সমাধান দাবি করছেন
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় মধুমতি নদীর তীব্র ভাঙন থেকে রক্ষা পেতে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল থেকে বুড়াইচ ইউনিয়নের চরখোলাবাড়িয়া এলাকার ১১০ মিটার দীর্ঘ নদীভাঙন এলাকায় ১৪ হাজার জিওব্যাগ ফেলার কাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এই কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১০ অক্টোবর থেকে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় মধুমতি নদীর ১১০ মিটার দীর্ঘ ভাঙন এলাকায় ১৪ হাজার জিওব্যাগ ফেলা হচ্ছে
- 📌 আটটি বাড়ি সম্পূর্ণ নদীগর্ভে ডুবে গেছে, আর শত শত বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঝুঁকিতে রয়েছে
- 📌 মো. আলামিন মিয়া বলেছেন, জিওব্যাগ ফেলা হলো সাময়িক সমাধান, দাবি করা হচ্ছে স্থায়ী সিসি ব্লক বাঁধ নির্মাণের
- 📌 পাউবো উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মজিবর রহমান জানান, শুকনো মৌসুমে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে
📰 বিস্তারিত
সূত্র জানায়, মধুমতি নদীতে পানির তীব্র বৃদ্ধি ও স্রোতের কারণে চরখোলাবাড়িয়া এলাকায় ভয়াবহ ভাঙন ঘটেছে। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আটটি বাড়ি সম্পূর্ণ নদীগর্ভে ডুবে গেছে। এছাড়াও, শত শত বাড়ি, স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলি ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ও আতঙ্কিত বাসিন্দারা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
বিষয়টি জাতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের পর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উচ্চপর্যায়ের নজরে আসে। স্থানীয় বাসিন্দা মো. আলামিন মিয়া বলেছেন, 'জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন সাময়িকভাবে থামতে পারে, কিন্তু আমাদের দাবি, সরকার দ্রুত স্থায়ী সিসি ব্লক দিয়ে বাঁধ নির্মাণ করে আমাদের বাড়ি-বাড়ি রক্ষা করুন।'
ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডিই) মো. মজিবর রহমান জানান, বর্তমানে নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। জরুরি ও সাময়িক পদক্ষেপ হিসেবে জিওব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করা হয়েছে। পরবর্তীতে শুকনো মৌসুমে নদীভাঙন স্থায়ীভাবে রোধ করার জন্য টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
"জিওব্যাগ ফেলে সাময়িক ভাঙন হয়তো থামবে কিন্তু এতে আমরা স্থায়ী সমাধান পাচ্ছি না। আমাদের দাবি, সরকার যেন দ্রুত স্থায়ী সিসি ব্লক দিয়ে বাঁধ নির্মাণ করে আমাদের মাথা গোঁজার শেষ ঠাঁইটুকু রক্ষা করে।"
"বর্তমানে প্রতিটি নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে জরুরি ও সাময়িক পদক্ষেপ হিসেবে নদীভাঙন ঠেকাত জিওব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আলফাডাঙ্গা উপজেলা, ফরিদপুর, চরখোলাবাড়িয়া এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আলামিন মিয়া, মো. মজিবর রহমান (পাউবো প্রকৌশলী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ হাজার জিওব্যাগ, ১১০ মিটার ভাঙন, আটটি বাড়ি ডুবে গেছে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!