📅 ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:১০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিষপানে মারা যান মাদারীপুরের গৃহবধূ, স্বামীর সঙ্গে কলহের জেরে ঘটে নির্যাতন

বিষপানে মারা যান মাদারীপুরের গৃহবধূ, স্বামীর সঙ্গে কলহের জেরে ঘটে নির্যাতন

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মাদারীপুরের ধুরাইল ইউনিয়নের সরদারকান্দি এলাকায় স্বামীর সঙ্গে কলহের জেরে বিষপানে মারা যান ৩৫ বছর বয়সী গৃহবধূ লাবনী আক্তার। পরিবার দাবি করে, স্বামীর অন্য নারীর সঙ্গে সম্পর্কের কারণে ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ তদন্তের ব্যবস্থা নিচ্ছে।

মাদারীপুর সদর উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়নের সরদারকান্দি এলাকায় বিষাক্ত দ্রব্য পানে মারা যান ৩৫ বছর বয়সী গৃহবধূ লাবনী আক্তার। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মাদারীপুরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। লাবনী আক্তার ছিলেন জিলু কাজীর স্ত্রী এবং আব্বাস আলী মল্লিকের মেয়ে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, লাবনী নিজ বসতঘরে বিষাক্ত দ্রব্য পান করেন। পরে স্বজনেরা বিষয়টি টের পেয়ে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিষপানে মারা যান মাদারীপুরের ৩৫ বছর বয়সী গৃহবধূ লাবনী আক্তার
  • 📌 স্বামী জিলু কাজীর সঙ্গে কলহের জেরে বিষ পান করেন লাবনী
  • 📌 পরিবার দাবি করে, স্বামীর অন্য নারীর সঙ্গে সম্পর্কের কারণে ঘটনাটি ঘটেছে
  • 📌 মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর জেলা হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে
  • 📌 শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি

📰 বিস্তারিত

লাবনী আক্তারের চাচাতো ভাই মো. রনি জানান, ‘স্বামী জিলু কাজীর সঙ্গে লাবনীর নানা বিষয় নিয়ে ঝগড়া লেগেই থাকত। সম্প্রতি তাঁর স্বামীর সঙ্গে অন্য নারীর সম্পর্ক টের পেয়ে যায় লাবনী। সম্ভবত এসব কারণে সে বিষ পান করেছে। এই ঘটনায় ওর স্বামীর বিচার দাবি করছি।’

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, নিহত গৃহবধূর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর জেলা হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। পরিবার থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই ঘটনার পাশাপাশি বাগেরহাটের চিতলমারীতে সেন্ট পিটার্স ক্যাথলিক চার্চে ভাঙচুর ও মূর্তি চুরির ঘটনায় মো. ফায়জুল শেখ নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চার্চের পাশের পুকুর থেকে মা মারিয়ার মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়েছে।

"স্বামীর সঙ্গে লাবনীর নানা বিষয় নিয়ে ঝগড়া লেগেই থাকত। সম্প্রতি তাঁর স্বামীর সঙ্গে অন্য নারীর সম্পর্ক টের পেয়ে যায় লাবনী। হয়তো এসব কারণে সে বিষ পান করেছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মাদারীপুর সদর উপজেলা, ধুরাইল ইউনিয়ন, সরদারকান্দি এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লাবনী আক্তার (৩৫), জিলু কাজী, মো. রনি, আবুল কালাম আজাদ (ওসি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖