📌 রংপুরের বদরগঞ্জ থানায় মাদকাসক্ত ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরের চুরি ও জরিমানা দিতে পরিবার তাদের শেষ সম্বল বিক্রি করে। জনতার মারধর ও পুলিশের হস্তক্ষেপের পর তাকে পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে
রংপুরের বদরগঞ্জ থানায় মাদকাসক্ত কিশোরের চুরি ও জরিমানা দিতে পরিবার তাদের শেষ সম্বল বিক্রি করে। জনতার মারধর ও পুলিশের হস্তক্ষেপের পর তাকে পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১৫ বছর বয়সী কিশোরের** মাদকাসক্তির কারণে গ্রামে বারবার চুরির অভিযোগে জরিমানা দিতে পরিবার তাদের **দুটি গরু ও দুটি ছাগল বিক্রি** করতে হয়েছে।
- 📌 **১১ টার দিকে** বাজারে ব্যাটারিচালিত রিকশা চুরি করার চেষ্টায় কিশোরকে **জনতা মারধর** করে, পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।
- 📌 **ওসি হাসান জাহিদ সরকার** কিশোরকে **রংপুর নগরের আইডিয়াল মোড়ের শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রে** পাঠিয়েছেন বিনামূল্যে চিকিৎসার জন্য।
- 📌 **গ্রামে ১৫ থেকে ২০ জন কিশোর** মাদকাসক্ত, তাদের মধ্যে একজন কিশোরের পরিবার **দুই বছর ধরে পুনর্বাসনের চেষ্টা** করছিল।
📰 বিস্তারিত
রংপুরের বদরগঞ্জ থানায় মাদকাসক্তির কারণে পরিবার দুঃখে দিশাহারা। এক বাবা বলেছেন, ‘ওর (ছেলের) একটা ব্যবস্থা করেন। গ্রামে চুরি করে। আর ও এমন চোর খালি ধরা পড়ে। সবাই বিচার বসায়, জরিমানা চায়। জরিমানা দিতে দিতে আমার সব শেষ।’ তিনি জানান, তাঁর ১৫ বছরের ছেলে মাদকাসক্ত। গ্রামে প্রায়ই তার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ ওঠে। একের পর এক জরিমানা দিতে গিয়ে পরিবারের শেষ সম্বল দুটি গরু ও দুটি ছাগলও বিক্রি করতে হয়েছে।
আজ শুক্রবার দুপুরে বাজারে ব্যাটারিচালিত রিকশা চুরি করতে গিয়ে জনতার হাতে ধরা পড়ে ছেলে। মারধরের পর পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। ওসি হাসান জাহিদ সরকারের সামনে দাঁড়িয়ে বাবা নিজের কষ্টের কথা বলছিলেন। ছেলের নেশা আর চুরির কাণ্ডে তিনি অসহায়। ওসির সামনে ছেলের অবস্থা দেখে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন মা–বাবা।
‘মোর ছেলেটাক ভালো করি দেও’—মা অসহায় কণ্ঠে বলেন, ‘মোর টাকা নাই, চিকিৎসাপাতি কইরবার পাও না। তোরা মোর ছেলটাক ভালো করি দেও।’ বাবা জানান, তাঁর গ্রামে মাদকাসক্ত ছেলেদের সংখ্যা ১৫ থেকে ২০ জন। তাঁর ছেলের জীবন বদলে গেছে মাদকাসক্তির কারণে।
"আমি পানি খাব" — মারধরের যন্ত্রণায় কিশোর ঠিকমতো কথা বলতে পারছিল না। চোখেমুখে ছিল আতঙ্ক।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বদরগঞ্জ থানা, রংপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওসি হাসান জাহিদ সরকার, মাদকাসক্ত কিশোরের বাবা-মা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ বছর বয়সী কিশোর, ১১ টা, ১৫-২০ জন মাদকাসক্ত কিশোর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!