📌 লোহাগড়ার দক্ষিণ পাংখারচরে এক দিনমজুরের বসতঘর আগুনে পুড়ে যাওয়ায় তার ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। রাজু মোল্যা বলেছেন, নগদ টাকা, খাদ্য, আসবাবপত্র ও কাগজপত্র সব পুড়ে গেছে। পরিবার বাসা হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে
লোহাগড়া উপজেলার দক্ষিণ পাংখারচরে রাতের আঁধারে এক দিনমজুরের বসতঘর আগুনে পুড়ে যাওয়ায় তার পরিবার ৫ লাখ টাকার ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে রোববার (১৮ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে। স্থানীয়রা জানান, আগুনে পুড়ে যাওয়া ঘরটি ছিল টিন ও কাঠ দিয়ে তৈরি। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই পুরো বসতঘর পুড়ে যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫ লাখ টাকা ক্ষতি: রাজু মোল্যার বসতঘর পুড়ে যাওয়ায় তার নগদ টাকা, খাদ্য, আসবাবপত্র ও কাগজপত্র সব পুড়ে গেছে
- 📌 ঘটনার সময়: ১৮ অক্টোবর রাত ৮টায় ১১ নম্বর ইতনা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ পাংখারচর গ্রামে আগুন লাগে
- 📌 পরিবার বাসা হারায়: রাজু মোল্যা ও তার পরিবার বাসা হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে
- 📌 ফায়ার সার্ভিসের অক্ষমতা: ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই ঘর পুড়ে যায়, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নেভাতে ব্যর্থ হন
📰 বিস্তারিত
দিনমজুর রাজু মোল্যার বসতঘর আগুনে পুড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে লোহাগড়া উপজেলার ১১ নম্বর ইতনা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ পাংখারচর গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের আঁধারে হঠাৎ করে বসতঘরে আগুন লাগে। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিবারের সদস্যরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। তবে, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই টিন ও কাঠ দিয়ে তৈরি বসতঘরটি পুড়ে যায়।
ভুক্তভোগী রাজু মোল্যা বলেন, আগুনে তার নগদ টাকা, চাল-ডাল, আসবাবপত্র, ছেলেমেয়েদের পোশাক ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সব পুড়ে গেছে। তিনি বলেন, ‘সব হারিয়ে এখন পরিবার নিয়ে খোলা আকাশের নিচে থাকা ছাড়া উপায় নেই।’
লোহাগড়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা সোহাগুজ্জামান জানান, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই ঘর ও আসবাবপত্র পুড়ে যায়। তিনি বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই পুরো বসতঘর পুড়ে যায়। আগুন নেভাতে আমাদের কোনো সুযোগ ছিল না।’
"আগুনে তার নগদ টাকা, চাল-ডাল, আসবাবপত্র, ছেলেমেয়েদের পোশাক ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পুড়ে গেছে। সব হারিয়ে এখন পরিবার নিয়ে খোলা আকাশের নিচে থাকা ছাড়া উপায় নেই"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লোহাগড়া উপজেলা, নড়াইল, দক্ষিণ পাংখারচর গ্রাম (১১ নম্বর ইতনা ইউনিয়ন, ৮ নম্বর ওয়ার্ড)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাজু মোল্যা (ভুক্তভোগী), সোহাগুজ্জামান (লোহাগড়া ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ লাখ টাকা (ক্ষতি), ১৮ অক্টোবর (ঘটনার তারিখ), ৮ টা (ঘটনার সময়), ১১ নম্বর ইউনিয়ন, ৮ নম্বর ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!