📌 লালন আখড়াবাড়ির তিরোধান দিবসের তিন দিনের মেলায় মোবাইল চুরির অভিযোগে ৮৬ জনের ডায়েরি করা হয়েছে। পুলিশ এখনো কোনো মোবাইল ফিরিয়ে দিতে বা চোর আটক করতে পারেনি। এছাড়াও, মেলা প্রাঙ্গণে টাইম বোমা ও পেট্রল উদ্ধারের ঘটনায় তদন্ত চলছে
লালন আখড়াবাড়ির তিরোধান দিবসের তিন দিনের মেলায় মোবাইল চুরির ঘটনা ব্যাপক। মেলায় লাখো মানুষের সমাগমের সুযোগ নিয়ে সক্রিয় ছিল চোর-পকেটমার চক্র। এ সময়ে মোট ৮৬ জনের মোবাইল চুরির অভিযোগে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন জানান, এই ঘটনাগুলো নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে, কিন্তু এখনো কোনো ফলাফল পাওয়া যায়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লালন আখড়াবাড়ির তিন দিনের মেলায় মোট ৮৬ জনের মোবাইল চুরির অভিযোগে ডায়েরি করা হয়েছে
- 📌 পুলিশ এখনো কোনো মোবাইল ফিরিয়ে দিতে বা চোর আটক করতে পারেনি
- 📌 মেলায় প্রচণ্ড ভিড়ের সুযোগ নিয়ে পকেটমাররা মোবাইল চুরি করেছে
- 📌 টাইম বোমা ও পেট্রল উদ্ধারের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে
- 📌 জেলা প্রশাসক তৌহিদ বিন হাসান তদন্তের দ্রুততম সমাপ্তি নির্দেশ দিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
লালন আখড়াবাড়ির তিরোধান দিবসের তিন দিনের মেলায় প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে পকেটমার চক্র সক্রিয় ছিল। স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের অভিযোগ, সাধু-ফকির ও ভক্ত-অনুরাগীদের পদচারণায় মুখর আখড়াবাড়িতে কৌশলে অনেকের পকেট থেকে মোবাইল ফোন চুরি করা হয়েছে। ফোন হারিয়ে বিপাকে পড়েছেন দর্শনার্থীরা। তবে এখনো চুরি যাওয়া কোনো মোবাইল ফোন উদ্ধার বা চোর চক্রের কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
মেলায় মোবাইল ফোন হারানো কুষ্টিয়ার আরাফাত হোসেন বলেন, ‘মেলার দ্বিতীয় দিন অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের হওয়ার সময় দেখি পকেটে মোবাইল ফোন নেই। পরে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি। এত মানুষের সমাগমের মধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের আরও বেশি নজরদারি রাখা উচিত ছিল।’
ওসি জামাল উদ্দিন জানান, ‘বুধবার পর্যন্ত মেলার সময় মাজার এলাকা থেকে মোবাইল ফোন হারানোর ঘটনায় ৮৬টি সাধারণ ডায়েরি পেয়েছি। এসব ঘটনা নিয়ে পুলিশের একটি দল কাজ করছে। এখন পর্যন্ত কোনো মোবাইল ফোন উদ্ধার বা চোর চক্রের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’
এদিকে, গত সোমবার সকালে লালন আখড়াবাড়ি প্রাঙ্গণ থেকে টাইম বোমা ও দুই বোতল পেট্রল উদ্ধারের ঘটনায় চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক ও লালন একাডেমির সভাপতি তৌহিদ বিন-হাসান কমিটি গঠন করে দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। তদন্ত কমিটির প্রধান কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিভিন্ন সূত্র ধরে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাটি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় তদন্তের স্বার্থে এখনই গণমাধ্যমের সামনে বিস্তারিত বলা সম্ভব হচ্ছে না। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।’
জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ বলেন, ‘ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। কয়েকটি বিষয় সামনে রেখে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। মেলা প্রাঙ্গণের সিসিটিভি ক্যামেরা ও পুলিশের বডি ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও সংগ্রহ করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।’
"মেলার দ্বিতীয় দিন অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের হওয়ার সময় দেখি পকেটে মোবাইল ফোন নেই। পরে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি। এত মানুষের সমাগমের মধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের আরও বেশি নজরদারি রাখা উচিত ছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লালন আখড়াবাড়ি, কুষ্টিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওসি জামাল উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ, এডিএম জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক তৌহিদ বিন হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৬ জন (মোবাইল চুরির অভিযোগ), ৮৬টি (ডায়েরি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!