📌 লালমোহন উপজেলায় এবারের শারদীয় দুর্গাপূজা ২৩টি পূজামণ্ডপে অনুষ্ঠিত হবে। মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে আনুষ্ঠানিকতা এবং ১৬ অক্টোবর থেকে শুরু হবে মূল পূজা। উপজেলা প্রশাসন নিরাপত্তা ও সহযোগিতার ব্যবস্থা নিচ্ছে
লালমোহন উপজেলায় এবারের শারদীয় দুর্গাপূজা আনন্দমুখর পরিবেশে উদযাপিত হবে। ২৩টি পূজামণ্ডপে দেবী দুর্গার পূজা অনুষ্ঠিত হবে, যা গত বছরের তুলনায় চারটি বেশি। উপজেলায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে উৎসবের আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। প্রতিটি মণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ হয়ে গেছে এবং শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লালমোহন উপজেলায় এবারের দুর্গাপূজা ২৩টি পূজামণ্ডপে অনুষ্ঠিত হবে, যা গত বছরের তুলনায় চারটি বেশি
- 📌 মহালয়ার মধ্য দিয়ে ১০ অক্টোবর শুরু হয়েছে আনুষ্ঠানিকতা, মূল পূজা শুরু হবে ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠী থেকে
- 📌 পূজার দিনগুলোতে অনুষ্ঠিত হবে অঞ্জলি, পূজা-অর্চনা, প্রসাদ বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
- 📌 প্রতিটি মণ্ডপে সিসি ক্যামেরা, জেনারেটর ও নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে
- 📌 উপজেলা প্রশাসন সরকারি তহবিল থেকে প্রতিটি পূজামণ্ডপের জন্য ৬০০ কেজি চাল বরাদ্দ করেছে
📰 বিস্তারিত
লালমোহন উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি নিরব কুমার দে জানান, দুর্গোৎসবের আনন্দে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, “দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে উদযাপনের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। নির্বিঘ্নে ও আনন্দমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপনের প্রত্যাশা করছি। এছাড়া ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি দুর্গাপূজা সম্প্রীতি ও মিলনমেলায় পরিণত হবে।”
উপজেলা প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা, জেনারেটর বা বিকল্প আলোর ব্যবস্থা এবং পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ও আনসার সদস্যদের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি থাকবে। লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, “দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে প্রতিটি মণ্ডপের নিরাপত্তা গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সরকারি তহবিল থেকে প্রতিটি পূজামণ্ডপের জন্য ৬০০ কেজি চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সবার সহযোগিতায় আনন্দঘন পরিবেশে দুর্গোৎসব সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদী তিনি।”
এবারের দুর্গাপূজায় দেবী দুর্গার আগমন ঘোড়ায় এবং গমন নৌকায় অনুষ্ঠিত হবে। পূজার দিনগুলোতে প্রতিটি মণ্ডপে অঞ্জলি, পূজা-অর্চনা, প্রসাদ বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকবে। লালমোহন উপজেলায় পৌরসভার দুটি, কালমা ইউনিয়নের পাঁচটি, পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের চারটি, চরভূতা ইউনিয়নের দুটি, লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের ছয়টি, ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের দুটি এবং রমাগঞ্জ ইউনিয়নের দুটি পূজামণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।
"দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে উদযাপনের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। নির্বিঘ্নে ও আনন্দমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপনের প্রত্যাশা করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লালমোহন উপজেলা (পৌরসভা, কালমা, পশ্চিম চরউমেদ, চরভূতা, লর্ডহার্ডিঞ্জ, ধলীগৌরনগর, রমাগঞ্জ ইউনিয়ন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিরব কুমার দে (লালমোহন উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি), মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক (লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩টি পূজামণ্ডপ, ৬০০ কেজি চাল (প্রতিটি মণ্ডপ), ১০ অক্টোবর (মহালয়া), ১৬-২০ অক্টোবর (মহাষষ্ঠী থেকে বিজয়া দশমী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!