📌 লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীতে মা ইলিশ রক্ষার ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। ১২ হাজার জেলে খাদ্য সহায়তা পাননি এবং নৌ-পুলিশকে ঘুষ দিয়ে অবৈধ মাছ ধরা চলছে। জেলেদের দাবি, বিকল্প কর্মসংস্থান না থাকায় জীবিকার তাগিদে তারা নদীতে নামতে বাধ্য
লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীতে মা ইলিশের প্রজনন সুরক্ষার জন্য জারি করা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা হচ্ছে বলে স্থানীয় জেলেদের অভিযোগ। নৌ-পুলিশকে ঘুষ দিয়ে একটি অসাধু চক্র দিন-রাত ইলিশ শিকার করছে। এদিকে, ৫৪ হাজার নিবন্ধিত জেলের মধ্যে প্রায় ১২ হাজার জেলে বরাদ্দ ২৫ কেজি চালের খাদ্য সহায়তা পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে। জেলেদের দাবি, বিকল্প কর্মসংস্থানের অভাব এবং প্রকৃত জেলেদের বাদ দিয়ে অন্য পেশার মানুষের নাম সহায়তার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় তারা নদীতে নামতে বাধ্য হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীতে মা ইলিশ রক্ষার ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ, নৌ-পুলিশকে ঘুষ দিয়ে অবৈধ মাছ ধরা চলছে
- 📌 নিষেধাজ্ঞার প্রথম সাত দিনে ৫০ জন জেলেকে জেল-জরিমানা করা হলেও অবৈধ মাছ ধরা বন্ধ হয়নি
- 📌 ৫৪ হাজার নিবন্ধিত জেলের মধ্যে ১২ হাজার জেলে বরাদ্দ ২৫ কেজি চালের খাদ্য সহায়তা পাননি
- 📌 জেলেদের দাবি, বিকল্প কর্মসংস্থান না থাকায় জীবিকার তাগিদে তারা নদীতে নামতে বাধ্য
- 📌 মজুচৌধুরীরহাট নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক আবদুর রহমান বলেছেন, “স্বল্প জনবল নিয়েই নদীতে টহল পরিচালনা করতে হচ্ছে। জেলেদের সঙ্গে আঁতাত ও অনিয়মের প্রশ্নই ওঠে না”
- 📌 লক্ষ্মীপুরের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন বলেছেন, “নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে প্রশাসন, পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে অভিযান চলছে। নিয়ম অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না”
📰 বিস্তারিত
প্রতি বছর আশ্বিনের পূর্ণিমা উপলক্ষে সাগর থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ মা নদীতে আসে। এ সময় তাদের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখতে ৭ অক্টোবর থেকে ২২ দিনের জন্য মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। লক্ষ্মীপুর ও চাঁদপুরের মেঘনা নদীর ১০০ কিলোমিটার এলাকা সহ দেশের ৩৮টি জেলায় এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞার প্রথম সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন এলাকায় কিছু জেলেকে নদীতে মাছ ধরতে দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় জেলেদের দাবি, নৌ-পুলিশকে ঘুষ দিয়ে একটি অসাধু চক্র দিন-রাত ইলিশ শিকার করছে। নিষেধাজ্ঞার প্রথম সাত দিনে অর্ধশত জেলেকে জেল-জরিমানা করা হলেও অবৈধভাবে মাছ ধরা বন্ধ হয়নি। এদিকে, জেলেদের জন্য বরাদ্দ ২৫ কেজি করে চালের খাদ্য সহায়তা অনেকেই এখনো পাননি। জেলেদের দাবি, বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকায় জীবিকার তাগিদে তাদের নদীতে নামতে হচ্ছে। পাশাপাশি প্রকৃত জেলেদের বাদ দিয়ে দোকানদার ও রিকশাচালকের মতো পেশার মানুষের নামও সহায়তার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ করেছেন কেউ কেউ।
মজুচৌধুরীরহাট নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক আবদুর রহমান এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “স্বল্প জনবল নিয়েই নদীতে টহল পরিচালনা করতে হচ্ছে। জেলেদের সঙ্গে আঁতাত ও অনিয়মের প্রশ্নই ওঠে না।” লক্ষ্মীপুরের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন বলেন, “নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে প্রশাসন, পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে অভিযান চলছে। নিয়ম অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।”
"স্বল্প জনবল নিয়েই নদীতে টহল পরিচালনা করতে হচ্ছে। জেলেদের সঙ্গে আঁতাত ও অনিয়মের প্রশ্নই ওঠে না।"
"নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে প্রশাসন, পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে অভিযান চলছে। নিয়ম অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদী, মজুচৌধুরীরহাট নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুর রহমান (উপপরিদর্শক), মো. জসিম উদ্দিন (জেলা মৎস্য কর্মকর্তা), জেলেদের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ হাজার (জেলে), ২২ দিন (নিষেধাজ্ঞা), ২৫ কেজি (চাল), ৫৪ হাজার (নিবন্ধিত জেলে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!