📌 কুতুবদিয়া থেকে বাঁশখালী যাত্রাপথে সাগরের স্রোতে ভেসে যাওয়া একটি কুকুরকে যাত্রীরা উদ্ধার করে। কুকুরটি দীর্ঘ সময় পানিতে ভাসলেও বাঁচে যায়
কক্সবাজারের কুতুবদিয়া থেকে চট্টগ্রামের বাঁশখালী যাত্রাপথে সাগরের স্রোতে ভেসে যাওয়া একটি কুকুরের জীবন বাঁচিয়েছেন যাত্রীরা। দুপুরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় যাত্রীরা একসাথে মিলে কুকুরটিকে পানির বুক থেকে উদ্ধার করে নৌকার ওপরে তুলে নেয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুতুবদিয়া থেকে বাঁশখালী যাত্রাপথে সাগরের স্রোতে ভেসে যাওয়া কুকুরকে উদ্ধার করা হয়
- 📌 মিজবাউল আলম প্রথম কুকুরটিকে দেখতে পান এবং বিষয়টি অন্য যাত্রীদের জানান
- 📌 মামুনুল ইসলাম কুতুবী ও অন্য যাত্রীরা রশি দিয়ে কুকুরটিকে ধরে টেনে উদ্ধার করেন
- 📌 জহির উদ্দিন বলেন, ‘কুকুরও একটা প্রাণী, তাই উদ্ধার করেছি’
- 📌 দীর্ঘ সময় পানিতে ভাসলেও কুকুরটির মাথা ছিল শুকনা
📰 বিস্তারিত
গত বুধবার দুপুরে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া থেকে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর ছনুয়াঘাট যাত্রাপথে একটি নৌকায় যাত্রীরা কুকুরের জীবন বাঁচিয়েছেন। নৌকার যাত্রীরা দূর থেকে দেখতে পান, স্রোতের টানে ভেসে যাচ্ছে কোনো কিছু। প্রথমে মনে হয়েছিল মানুষের মাথা। কিন্তু কাছাকাছি গিয়ে বুঝতে পারেন, সেটি একটি কুকুর। মিজবাউল আলম নামের এক যাত্রী প্রথম কুকুরটিকে দেখতে পান এবং বিষয়টি অন্য যাত্রীদের জানান।
যাত্রীদের অনুরোধে নৌকার চালক জহির উদ্দিন নৌকা থামান। মামুনুল ইসলাম কুতুবী ও অন্য যাত্রীরা রশি দিয়ে কুকুরটিকে ধরে টেনে উদ্ধার করেন। স্রোতের কারণে কুকুরটি বেশ কয়েকবার এদিক-ওদিক ভেসে যায়। অবশেষে রশির নাগালে আসে কুকুরটি। দুই যাত্রী মিলে শক্ত করে ধরে টেনে তোলেন কুকুরটিকে। মুহূর্তেই পানির বুক থেকে নৌকার ওপরে উঠে এল কুকুরটি।
মামুনুল ইসলাম বলেন, ‘প্রথমে আমরা মানুষের মাথা মনে করেছিলাম। কাছে গিয়ে বুঝলাম, কুকুর। আমরা মূলত একটা প্রাণ বাঁচিয়েছি।’ উদ্ধারের পর কুকুরটিকে নৌকাতেই রাখা হয়। পরে বাঁশখালীর ছনুয়াঘাটে পৌঁছে সেটিকে নামিয়ে দেওয়া হয়।
"ওটা যদি মানুষ হতো, তখন তো সবাই দৌড়াতাম। চিন্তা করলাম, কুকুরও তো একটা প্রাণী। তাই সেটিকে উদ্ধার করেছি আমরা।"
জহির উদ্দিন বলেন, ‘কুকুরও একটা প্রাণী, তাই উদ্ধার করেছি আমরা’।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুতুবদিয়া চ্যানেল, কক্সবাজার ও বাঁশখালী, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিজবাউল আলম, মামুনুল ইসলাম কুতুবী, জহির উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (কুকুরের সংখ্যা), ২ (যাত্রী সংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!