📅 ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কুড়িগ্রামের উলিপুরে দুর্গাপূজা ছাড়াই কষ্টে দিন কাটাচ্ছে ২০০ রবিদাস পরিবার

কুড়িগ্রামের উলিপুরে দুর্গাপূজা ছাড়াই কষ্টে দিন কাটাচ্ছে ২০০ রবিদাস পরিবার

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় ২০০ রবিদাস পরিবার দুর্গাপূজার আনন্দ থেকে বঞ্চিত। দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী এই পরিবারগুলো সরকারি বা বেসরকারি সহায়তা পায়নি। তারা দিনাতিপাতের কষ্টে পূজার আনন্দ উপভোগ করতে পারছেন না

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী ২০০ রবিদাস পরিবার শারদীয় দুর্গাপূজার আনন্দ থেকে বঞ্চিত। সরকারি বা বেসরকারিভাবে কোনো সহায়তা পায়নি এই পরিবারগুলো, ফলে তাদের মাঝে উৎসবের আমেজ নেই। উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার প্রায় আটশত রবিদাস পরিবারের মধ্যে এই ২০০টি পরিবার দীর্ঘদিন ধরে অতি কষ্টে দিনাতিপাত করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কুড়িগ্রামের উলিপুরে ২০০ রবিদাস পরিবার পূজার আনন্দ থেকে বঞ্চিত
  • 📌 ১৩টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার প্রায় আটশত রবিদাস পরিবারের মধ্যে ২০০টি পরিবার দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে
  • 📌 সরকারি বা বেসরকারিভাবে কোনো সহায়তা পায়নি তারা
  • 📌 ভুলুয়া রবিদাস (৬৩) বলেন, ‘অন্য বছরগুলোতে প্রশাসন সহযোগিতা করলেও এবার কোনো সহযোগিতা পাইনি’
  • 📌 জোসনা রবিদাস (৫৫) বলেন, ‘তিনবেলা পেটভরে খাওয়াই কষ্টকর, সেখানে পূজার কী আছে!’
  • 📌 উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জানান, রবিদাস সম্প্রদায়ের জন্য সরকারিভাবে পৃথক কোনো বরাদ্দ নেই
  • 📌 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, দুস্থ রবিদাস পরিবারদের সহায়তা করা হবে

📰 বিস্তারিত

রোববার দুপুরে উলিপুর পৌরসভার তেঁতুলতলা এলাকায় রবিদাস সম্প্রদায়ের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, শারদীয় দুর্গা উৎসবের আমেজ নেই। ভুলুয়া রবিদাস (৬৩) বলেন, ‘উৎসব শুরু হলেও আমাদের মতো পরিবারগুলোর মাঝে তা নেই। অতি কষ্টে দিনযাপন করার কারণে ছেলেমেয়েদের নতুন জামা-কাপড় কিনে দেওয়ার মতো সাধ্য আমাদের নেই। আমাদের ব্যবসা প্রায় অচল; যা আয় হয়, তা দিয়ে কোনো রকম সংসার পরিচালনা করি। বছরের অন্য দিনগুলো যেমন, পূজার দিনগুলোও আমাদের কাছে তেমন। আমরা সব সময় সমাজে অবহেলিত। অন্য বছরগুলোতে প্রশাসন আমাদের সহযোগিতা করলেও এবার কোনো সহযোগিতা আমরা পাইনি। আমরা সব সময় বৈষম্যের শিকার।’

জোসনা রবিদাস (৫৫) বলেন, ‘তিনবেলা পেটভরে খাওয়াই কষ্টকর। সেখানে আবার পূজার কী আছে! আজ পূজার দ্বিতীয় দিন চললেও আমাদের ঘরে আনন্দ নেই।’ ধামশ্রেনী ইউনিয়নের ইন্দারার পাড় এলাকার চৈতা রবিদাস (৭৭) এবং বজরা ইউনিয়নের বাবুর হাট এলাকার কার্তিক রবিদাসসহ অনেকে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, পূজা শুরু হলেও টাকার অভাবে কেনাকাটা করা সম্ভব হয়নি।

উপজেলা রবিদাস সম্প্রদায়ের সাধারণ সম্পাদক অনিল রবিদাস বলেন, ‘অন্যান্য বছর সরকারিভাবে আমরা চাল, কাপড়, ধুতি ও লুঙ্গি পেলেও এবার কোনো সহযোগিতা পাইনি। আমাদের সম্প্রদায়ের অনেক দরিদ্র পরিবার আছে, তারা খুবই কষ্টে সংসার চালাচ্ছে। দুর্গাপূজায় কোনো ধরনের সহযোগিতা পেলে পরিবারগুলো উপকৃত হতো।’ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) খন্দকার মো. ফিজানুর রহমান জানান, রবিদাস সম্প্রদায়ের জন্য সরকারিভাবে পৃথক কোনো বরাদ্দ নেই। তবে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমি অবগত নই। তবে ইউএনও স্যার দুস্থ রবিদাস পরিবারের মধ্যে কাপড় বিতরণ করবেন বলে শুনেছি।’

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ টি এম আরিফ বলেন, রবিদাস সম্প্রদায়ের পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। তাদের মধ্যে দুস্থদের সহায়তা করা হবে।

"অন্য বছরগুলোতে প্রশাসন আমাদের সহযোগিতা করলেও এবার কোনো সহযোগিতা পাইনি। আমরা সব সময় বৈষম্যের শিকার"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলা (তেঁতুলতলা, ধামশ্রেনী ইউনিয়ন, বজরা ইউনিয়ন, বাবুর হাট)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভুলুয়া রবিদাস (৬৩), জোসনা রবিদাস (৫৫), চৈতা রবিদাস (৭৭), কার্তিক রবিদাস, অনিল রবিদাস, খন্দকার মো. ফিজানুর রহমান, এ টি এম আরিফ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০ (রবিদাস পরিবার), ১৩ (ইউনিয়ন), ১ (পৌরসভা), ৬৩ (ভুলুয়া রবিদাসের বয়স), ৫৫ (জোসনা রবিদাসের বয়স), ৭৭ (চৈতা রবিদাসের বয়স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖