📌 কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় ট্রাক ও অটোরিকশার সংঘর্ষে এক পরিবারের চার সদস্যসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ছিল শহীদুল ইসলামের স্ত্রী, তাদের দুই সন্তান, স্ত্রীর বোন এবং অটোরিকশাচালক। দুর্ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় আজ শনিবার দুপুরে ট্রাক ও অটোরিকশার সংঘর্ষে এক পরিবারের চার সদস্যসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছে। দুর্ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের শিবেরডাঙি বাজারের কাছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পাঁচজন নিহত: এক পরিবারের চার সদস্যসহ মোট পাঁচজন মারা গেছেন, যার মধ্যে নিহতদের মধ্যে রয়েছে শহীদুল ইসলামের স্ত্রী লিপি, তাদের ছেলে রিশাদ ও মেয়ে তুবা, লিপির বোন শরিফা এবং অটোরিকশাচালক।
- 📌 দুর্ঘটনাস্থল: রৌমারী উপজেলার শিবেরডাঙি বাজারের কাছে ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছে।
- 📌 মরদেহ উদ্ধার: রৌমারী থানার ওসি কাওছার আলী জানান, দুর্ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে দুটি শিশু, দুটি নারী এবং একটি অপরিচিত পুরুষের মরদেহ রয়েছে।
- 📌 হাসপাতালে মৃত্যু: দুটি শিশু গুরুতর আহত অবস্থায় উপজেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল, পরে তাদের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
📰 বিস্তারিত
রৌমারী থানার ওসি কাওছার আলী ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে দুটি নারীসহ তিনজন লাশ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এখন বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছি।’
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. আব্দুস সামাদ জানান, ‘আমরা এ পর্যন্ত পাঁচটি মরদেহ পেয়েছি। এর মধ্যে দুটি শিশু, দুটি নারী এবং একটি পুরুষের মরদেহ রয়েছে। পুরুষ লোকটির পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি। তিনি অটোরিকশাচালক বলে জানা গেছে।’
নিহতদের মধ্যে ছিল শহীদুল ইসলামের স্ত্রী লিপি, তাদের ছেলে রিশাদ ও মেয়ে তুবা এবং লিপির বোন শরিফা। দুর্ঘটনায় অটোরিকশাচালকও প্রাণ হারিয়েছেন।
"আমি ঘটনাস্থলে আছি। দুই নারীসহ তিনজনের লাশ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় উপজেলা হাসপাতালে পাঠানো আরও দুই শিশুর মৃত্যুর খবর পেয়েছি।"
— রৌমারী থানার ওসি কাওছার আলী
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রৌমারী উপজেলা, কুড়িগ্রাম, শিবেরডাঙি বাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওসি কাওছার আলী, ডা. আব্দুস সামাদ, শহীদুল ইসলাম, লিপি, রিশাদ, তুবা, শরিফা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ জন নিহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!