📌 কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় ভাতিজা ফারুক হোসেন ধারালো অস্ত্র দিয়ে চাচি সোনাভানকে (৪৫) হত্যা করে। ঘটনায় তার চাচা, বোন ও ছোট ভাইয়ের স্ত্রী আহত হন। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় শুক্রবার দুপুরে একটি পরিবারের সদস্যরা ভয়াবহ ঘটনার শিকার হন। ধারালো অস্ত্র দিয়ে নিজের চাচিকে হত্যা করে ভাতিজা ফারুক হোসেন (৩২) তার পরিবারের আরও তিন সদস্যকে আহত করেন। নিহত হন চাচি সোনাভান (৪৫)।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফারুক হোসেন (৩২) তার মা ও ছেলেকে ঘরে আটকিয়ে রাখেন, পরে পরিবারের সদস্যদের উদ্ধার চেষ্টায় চাচিকে হত্যা ও বাকি তিনজনকে আহত করেন
- 📌 নিহত সোনাভান (৪৫) ও আহত খলিল হোসেন (৫০), মমিনা খাতুন (৩৫) ও জোসনা বেগম (২৬) রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন
- 📌 ফারুক হোসেন দুবাই প্রবাসী, তিন মাস আগে দেশে ফিরে মানসিক অসুস্থতা দেখা দেয়
- 📌 ঘটনাস্থল উত্তর বারবান্দা গ্রামে, স্থানীয় লোকজন অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করেন
📰 বিস্তারিত
রৌমারী উপজেলার উত্তর বারবান্দা গ্রামে শুক্রবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটে। ফারুক হোসেনের স্বজনদের দাবি, দেশে ফেরার পর থেকে তিনি মানসিক বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়েন এবং অসংলগ্ন কথাবার্তা বলতেন। ঘটনার দিন তিনি তার মা ও ছেলে মাহমুদুলকে একটি ঘরে আটকে রাখেন। পরিবারের সদস্যরা উদ্ধার চেষ্টা করলে ফারুক ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রথমে চাচি সোনাভানকে কুপিয়ে জখম করেন। পরে তার চাচা খলিল হোসেন (৫০), বোন মমিনা খাতুন (৩৫) ও ছোটো ভাইয়ের স্ত্রী জোসনা বেগমকে (২৬) আহত করেন। সোনাভানের মৃত্যু হয় ঘটনায়।
স্থানীয় লোকজন ফারুককে আটক করে রৌমারী থানায় হস্তান্তর করেন। আহত তিনজনকে রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। রৌমারী থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কাওসার আলী জানান, ‘আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
"ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উত্তর বারবান্দা গ্রাম, রৌমারী উপজেলা, কুড়িগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফারুক হোসেন (৩২), সোনাভান (৪৫), খলিল হোসেন (৫০), মমিনা খাতুন (৩৫), জোসনা বেগম (২৬)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ (নিহত), ৩২ (ফারুকের বয়স), ৫০ (চাচা খলিলের বয়স), ৩৫ (বোন মমিনার বয়স), ২৬ (জোসনার বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!