📌 কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় ভারতীয় সীমান্তসংলগ্ন দুর্গম চরে গোপনে মাদক সেবন ও জুয়ার আসর পরিচালিত হতো। পুলিশের অভিযানে কফি শপের আড়ালে এই অনৈতিক কেন্দ্র ভেঙ্গে দেওয়া হয়। অভিযানে অংশ নেন পুলিশের প্রায় অর্ধশত সদস্য
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দুর্গম চরে গোপনে পরিচালিত মাদক সেবন ও জুয়ার আসর ভেঙ্গে দেওয়ার অভিযানে সাফল্য পেয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভারতীয় সীমান্তসংলগ্ন কাশবনের আড়ালে গড়ে ওঠা এই অনৈতিক কেন্দ্রের সব অবৈধ আয়োজন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়, যেখানে কিশোর-কিশোরীদেরও জড়িত থাকার কথা জানা যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৯ সেপ্টেম্বর কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় ভারতীয় সীমান্তসংলগ্ন দুর্গম চরে পুলিশের অভিযানে মাদক-জুয়ার কেন্দ্র ভেঙ্গে দেওয়া হয়
- 📌 অভিযানে অংশ নেন পুলিশের প্রায় ৫০ জন সদস্য, যার নেতৃত্বে ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন ও ভারপ্রাপ্ত ওসি আজিম উদ্দিন
- 📌 কফি শপের আড়ালে পরিচালিত হতো মাদক সেবন, জুয়া, অশ্লীল নৃত্য ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড — স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছিল
- 📌 দুর্গম এলাকায় সহজে পুলিশের নজরদারি পৌঁছাত না, ফলে সন্ধ্যায় দূরদূরান্ত থেকে লোকজন আসতেন এবং নিয়মিত আসর বসত
- 📌 পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, কেউ যদি বিনোদনের নামে অসামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে, তাহলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
ভারতীয় সীমান্তসংলগ্ন কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দুর্গম চরে গোপনে পরিচালিত হতো মাদক সেবন ও জুয়ার আসর। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাশবনের আড়ালে কফি শপের নামে এই অনৈতিক কেন্দ্র গড়ে উঠেছিল। দুর্গম এলাকায় পুলিশের সহজে নজরদারি পৌঁছাত না, ফলে সন্ধ্যায় দূরদূরান্ত থেকে লোকজন আসতেন এবং নিয়মিত মাদক ও জুয়ার আসর বসত। এমনকি কিছু কিশোর-কিশোরীও সেখানে যাতায়াত শুরু করায় স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছিল।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন ও ভারপ্রাপ্ত ওসি আজিম উদ্দিনের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে পুলিশের সঙ্গে প্রায় অর্ধশত গ্রাম পুলিশ সদস্য অংশ নেন। পুলিশের দলটি দুর্গম চর পেরিয়ে কাশবনের ভেতরে অবস্থিত কফি শপে অভিযান চালায় এবং সেখানকার সব অবৈধ স্থাপনা ও আয়োজন গুঁড়িয়ে দেয়।
অভিযানের বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “ভারতীয় সীমান্তসংলগ্ন ওই দুর্গম কাশবনে কফি খাওয়ার আড়ালে মূলত মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলছিল। বিনোদনের নামে কেউ যদি কোনো ধরনের অসামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
"ভারতীয় সীমান্তসংলগ্ন ওই দুর্গম কাশবনে কফি খাওয়ার আড়ালে মূলত মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলছিল। বিনোদনের নামে কেউ যদি কোনো ধরনের অসামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভূরুঙ্গামারী উপজেলা, কুড়িগ্রাম (ভারতীয় সীমান্তসংলগ্ন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন, ভারপ্রাপ্ত ওসি আজিম উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার), ৫০ জন পুলিশ সদস্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!