📌 কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সার বিতরণে অনিয়মের প্রতিবাদে কৃষকদের বিক্ষোভে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আক্রান্ত হন। মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখিত, আর ৫০-৬০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি। গ্রেপ্তার হয় দুই কৃষক। কৃষকরা আতঙ্কিত, পুলিশের প্রতি রাতে গ্রামে উপস্থিতির ভয়ে ঘুমায় না
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সার বিতরণে অনিয়মের প্রতিবাদে কৃষকদের বিক্ষোভে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আক্রান্ত হন। ঘটনায় মামলা করা হয় ১১ জনের বিরুদ্ধে, আর অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে ৫০-৬০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে গনাইয়েরকুটি গ্রামের আল আমিন মোল্লা ও সুরুজ মিয়া। কৃষকদের সার চাওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের সময় ঘটনাটি ঘটে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭ সেপ্টেম্বর ভূরুঙ্গামারীতে সার ডিলারের গুদামে কৃষকদের বিক্ষোভে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল জব্বার আক্রান্ত হন।
- 📌 ১১ জনের নাম উল্লেখিত মামলায় ৫০-৬০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি থাকায় কৃষকরা আতঙ্কিত।
- 📌 গনাইয়েরকুটি গ্রামের আল আমিন মোল্লা ও সুরুজ মিয়া গ্রেপ্তার হন।
- 📌 শহীদ মোড় এলাকায় সার বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে কৃষকরা বাঁশ ফেলে ও আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করেন।
- 📌 ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজিম উদ্দিন বলেন, ভিডিও বিশ্লেষণ করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।
📰 বিস্তারিত
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সার বিতরণে অনিয়মের প্রতিবাদে কৃষকদের বিক্ষোভে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল জব্বার আক্রান্ত হন। ঘটনাটি ঘটে ৭ সেপ্টেম্বর বঙ্গসোনাহাট ইউনিয়নের ভূরুঙ্গামারী-সোনাহাট স্থলবন্দর সড়কের শহীদ মোড় এলাকায়। সার ডিলারের গুদামের সামনে কৃষকদের বিক্ষোভে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। কৃষকদের অভিযোগ, সার বিতরণে অনিয়ম ও ধীরগতি ছিল। তারা চাহিদা অনুযায়ী সার পাননি, বরং পরিচিত ও পছন্দের লোকজনকে বেশি সার দেওয়া হয়েছিল।
কৃষকদের বিক্ষোভে সড়ক অবরোধের সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল জব্বার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। বিক্ষুব্ধ কৃষকদের একাংশ তাঁকে অবরুদ্ধ করে। পরে পুলিশ গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে। পরদিন কৃষি কর্মকর্তা বাদী হয়ে ভূরুঙ্গামারী থানায় মামলা করেন। মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, আর অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে ৫০-৬০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলায় গ্রেপ্তার হয় গনাইয়েরকুটি গ্রামের আল আমিন মোল্লা ও সুরুজ মিয়া। কৃষকদের সার চাওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের সময় ঘটনাটি ঘটে। কৃষকদের অভিযোগ, সার না পেয়ে রাস্তায় বসে পড়েছিলাম। কিন্তু পুলিশ মামলা দিয়ে দুইজনকে ধরে নিয়ে গেছে।
"সার চাওয়া কি আমাগরে অপরাধ? আমরা তো কাউকে আঘাত করি নাই। সার না পেয়ে রাস্তায় বসে পড়েছিলাম। কিন্তু পুলিশ মামলা দিয়ে দুইজনকে ধরে নিয়ে গেছে। এহন প্রতি রাতে গ্রামে পুলিশ আহে। সারা দিন রোদে কাজ করি। অজ্ঞাতনামা আসামি করেও ধরে নিয়ে যেতে পারে। রাতে বাসায় ঘুমামু, সেই উপায় নাই।"
ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজিম উদ্দিন বলেন, ঘটনার ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে প্রকৃত দোষী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা হবে। নিরপরাধ কাউকে গ্রেপ্তার করা হবে না। সাধারণ কৃষকদের আতঙ্কিত হওয়ারও কোনো কারণ নেই।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভূরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম; শহীদ মোড় এলাকা, বঙ্গসোনাহাট ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল জব্বার, আল আমিন মোল্লা, সুরুজ মিয়া, আজিম উদ্দিন (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ জন (নাম উল্লেখিত আসামি), ৫০-৬০ জন (অজ্ঞাতনামা আসামি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!