📌 কুমিল্লার স্কুলছাত্র অপ্রতিমের মৃত্যুর পর তার পরিবারকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তার বাবা জিডি দায়ের করেছেন। পুলিশ জানায়, অপ্রতিমের মায়ের আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার সময় হত্যা করা হয়। এখন পর্যন্ত চারজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় স্কুলছাত্র অপ্রতিমের পরিবারকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তার বাবা ব্যবসায়ী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার জিডি দায়ের করেছেন। পুলিশ জানায়, অপ্রতিমের মৃত্যুর পর বিভিন্ন ফেক আইডি থেকে তার পরিবারকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার জিডি করেছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে
- 📌 অপ্রতিমের বাবা জানান, গতকাল একটি নম্বর থেকে পরিবারকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল, পরে সেই নম্বর ব্লক করা হয়েছে
- 📌 অপ্রতিমের মৃত্যু ঘটে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার জঙ্গলে, মায়ের আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার সময় বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়
- 📌 অপ্রতিম হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত চারজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে তিনজন দায় স্বীকার করেছে
- 📌 অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের ছেলে এবং কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন
📰 বিস্তারিত
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অপ্রতিমের মৃত্যুর পর তার পরিবারকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ফেক আইডি থেকে অপপ্রচার করা হচ্ছে। এই বিষয়ে তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় জিডি করেছেন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম জানান, অপ্রতিমের পরিবারকে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি সঠিক নয়, তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার করা হচ্ছে বলে জিডি করা হয়েছে।
অপ্রতিমের মৃত্যু ঘটে গত ১৯ সেপ্টেম্বর। সে তার বাবার সাথে কুমিল্লার কোটবাড়ি গন্ধমতী এলাকার বাসা থেকে বের হয়ে আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে গিয়েছিল। পরদিন তার মরদেহ লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার জঙ্গলে উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, অপ্রতিমের কাছে থাকা মায়ের আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে জঙ্গলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বাঁশের লাঠি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করা হয় এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
অপ্রতিম হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত চারজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজন দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পুলিশ জানায়, অপ্রতিমের বাবা তার মৃত্যুর পরই সদর দক্ষিণ মডেল থানায় জিডি করেছিলেন এবং পরদিনই হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।
"গতকাল একটি নম্বর থেকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। পরে সেই নম্বরটি ব্লক করে দেওয়া হয়েছে। অপপ্রচারের বিষয়ে মামলা করা হয়েছে"
— কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার, অপ্রতিমের বাবা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানা, কুমিল্লা, কোটবাড়ি গন্ধমতী এলাকা, লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার, অপ্রতিম, নাহিদা বেগম, রকিবুল ইসলাম (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ সেপ্টেম্বর, ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯ সেপ্টেম্বর, চারজন আসামি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!