📌 কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া বাজারে পাঁচ ও এক বছর বয়সী দু’মেয়েকে চিপস কিনতে রেখে চলে যান তাদের মা। পরে স্বজনরা তাদের বাড়ি নিয়ে যান এবং জানতে পারেন মা আর সন্তানদের নিজের কাছে রাখতে চান না। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করে
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া বাজারে দু’মেয়েকে চিপস কিনতে রেখে চলে যান তাদের মা। পাঁচ বছর ও এক বছর বয়সী এই দু’মেয়েকে নিজের কাছে রাখার পরিবর্তে মা তাদের সাথে থাকতে চান না। গত রোববার দুপুরে ঘটনাটি ঘটে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া বাজারে পাঁচ ও এক বছর বয়সী দু’মেয়েকে চিপস কিনতে রেখে চলে যান তাদের মা।
- 📌 শিশুদের চাচি তাদের দেখতে পেয়ে নিজের বাড়ি নিয়ে যান এবং মুঠোফোনে মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারেন মা আর সন্তানদের নিজের কাছে রাখতে চান না।
- 📌 দু’শিশুর বাবা কুমিল্লা নগরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালান এবং মায়ের বাড়ি বরুড়া উপজেলায়।
- 📌 ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি মো. ফারুক হোসেন জানান, ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশ তদন্ত করেছে।
📰 বিস্তারিত
ব্রাহ্মণপাড়া বাজারে দু’মেয়েকে রেখে চলে যাওয়া মায়ের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় লোকজন তাদের দেখতে পান। পাঁচ বছর বয়সী শিশুটি জানায় যে মা চিপস আনতে তাদের সেখানে রেখে গেছেন। স্থানীয়রা তাদের চিনতে পেরে তাদের বাড়ি নিয়ে যান। পরে মুঠোফোনে তাদের মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারেন যে মা কুমিল্লা নগরে চলে এসেছেন এবং আর সন্তানদের নিজের কাছে রাখতে চান না।
দু’শিশুর বাবা কুমিল্লা নগরে অটোরিকশা চালান এবং তাদের মায়ের বাড়ি বরুড়া উপজেলায়। স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য মতে, বাজারে দু’শিশুকে ঘোরাফেরা ও কান্না করতে দেখে কয়েকজন এগিয়ে আসেন এবং তাদের অবস্থা সম্পর্কে জানতে পারেন।
ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি মো. ফারুক হোসেন জানান, ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তিনি বলেন, দু’শিশুর চাচি তাদের বাজারে দেখতে পেয়ে নিজের বাড়ি নিয়ে যান এবং পরে মুঠোফোনে তাদের মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারেন মা আর সন্তানদের নিজের কাছে রাখতে চান না।
"মা কুমিল্লা নগরে চলে এসেছেন এবং আর সন্তানদের নিজের কাছে রাখতে চান না"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণপাড়া বাজার, কুমিল্লা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মা, দু’মেয়ের বাবা (অটোরিকশা চালক), ওসি মো. ফারুক হোসেন, শিশুদের চাচি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: পাঁচ বছর ও এক বছর বয়সী দু’মেয়ে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!