📌 কুমিল্লা জেলায় অপরাধের কেন্দ্রে পরিণত লালমাই পাহাড়ে পুলিশের একযোগে অভিযানে ৬২৪ জন আটক, এর মধ্যে ১৭৩ জনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পর পাহাড়ে হত্যা, ধর্ষণ ও মাদক কারবারের ঘটনা বেড়েছে
কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড়ে অপরাধের স্বর্গে পরিণত হওয়ার পর পুলিশের জরুরি হস্তক্ষেপে জেলার ১৮টি থানায় একযোগে অভিযান চালিয়ে ৬২৪ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৫১ জন কিশোরকে অভিভাবকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে, কিন্তু মাদক সেবন, নিয়মিত মামলা, ওয়ারেন্টের কারণে ১৭৩ জনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৪ সেপ্টেম্বর বিকেল পর্যন্ত ৬২৪ জন আটক, এর মধ্যে ১৭৩ জন আদালতে পাঠানো হয়েছে
- 📌 লালমাই পাহাড়ে হত্যা, ধর্ষণ ও মাদক কারবারের ঘটনা দিনদিন বেড়েছে
- 📌 ২০২৩ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত অন্তত ১২টি হত্যার ঘটনায় কিশোর গ্যাংয়ের জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে
- 📌 ২০২২ সালের দিকে কুমিল্লায় অন্তত ২০টি সক্রিয় কিশোর গ্যাং দল ছিল
- 📌 দাউদকান্দি থানায় আটক কিশোরদের অভিভাবকদের সাথে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়
📰 বিস্তারিত
অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পর কুমিল্লা জেলায় প্রশাসন নড়েচড়ে বসেছে। জেলার ১৮টি থানায় একযোগে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ৬২৪ জনকে আটক করেছে। এর মধ্যে ৪৫১ জন কিশোরকে অভিভাবকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে মাদক সেবন, নিয়মিত মামলা, মোবাইল কোর্টের কার্যক্রম, নিষিদ্ধ সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ততা ও ওয়ারেন্টের কারণে ১৭৩ জনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
অপরাধের কেন্দ্র লালমাই পাহাড়ে হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাই ও ধর্ষণের ঘটনা দিনদিন বেড়েছে। সর্বশেষ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহিদার সন্তান অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পর উঠে আসে লালমাই পাহাড়ের অপরাধের নানা তথ্য। স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২৩ সালে লালমাই পাহাড়ে হাতিগাড়া থেকে মেহেদী হাসান নামের এক কিশোর অটোরিকশা চালকের গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গেল বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি পাহাড়ের চণ্ডীমুড়া থেকে শিশু রিফাত হোসেনের গলা কাটা লাশ উদ্ধার করা হয়। গত ২৯ আগস্ট কোটবাড়ির সাধুর মুড়া এলাকায় দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে পাহাড়ের নির্জন স্থানে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
এছাড়াও পাহাড়ের কোলে গড়ে ওঠা সব বাড়িঘরে ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদক কারবারের দ্বন্দ্বে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পাহাড় ও বন বিভাগের গাছ কাটার সিন্ডিকেটও রয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, এসব ঘটনা অবিলম্বে থামানো না গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার শঙ্কা।
"তেমন কিছু হয়নি। অপ্রয়োজনে ঘুরাফেরার কারণে সন্দেহভাজন হিসেবে ২৮জনকে আটক করা হয়। তাদের স্বজনরা এক সাথে আসলে একটু ভিড় হয়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে ২২জনকে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়েছে। বাকি ৬জনকে যাছাই বাছাই চলছে।"
— দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমিল্লা জেলা, লালমাই পাহাড়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম, ড. নাহিদার, মেহেদী হাসান, শিশু রিফাত হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬২৪ জন আটক, ১৭৩ জন আদালতে পাঠানো, ৪৫১ জন কিশোর অভিভাবকের কাছে হস্তান্তর, ২০টি সক্রিয় কিশোর গ্যাং দল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!